দায়িত্বের প্রথম দিনেই মন্ত্রীসভা গঠন করে ফেললেন বরিস জনসন

বাকিংহাম প্যালেসে রাণী এলিজাবেথের সাথে নতুন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন (Image: Reuters)

দলীয় নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী পদে প্রত্যাশিত জয়ের পর দায়িত্বের প্রথম দিনেই মন্ত্রীসভা গঠন করে ফেললেন নতুন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী হয়েছেন ডোমিনিক রাব, অর্থমন্ত্রী সাজিদ জাভিদ এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রীতি প্যাটেল।

পূর্বসূরী থেরেসা মে’র মন্ত্রীসভার বেশ কয়েক জন সদস্যকে রেখে দিলেও বরিসের মন্ত্রিসভায় স্থান হয়নি মনোনয়ন দৌঁড়ে তার প্রধান প্রতিদ্বন্দী জেরেমি হান্টসহ আগের ক্যাবিনেটের সিংহভাগেরই। এদের কেউ নিজে থেকেই পদত্যাগ করেছেন, আবার কারও নাম ঘোষণা করেননি নতুন প্রধানমন্ত্রী।

নবনিযুক্ত পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডোমিনিক রব ছিলেন থেরেসা মে’র মন্ত্রীসভায় ব্রেক্সিট বিষয়ক মন্ত্রী। কিন্তু ব্রেক্সিট প্রক্রিয়া নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সাথে মতানৈক্যের জেরে পদত্যাগ করেছিলেন তিনি। বরিস জনসনের সৌজন্যে আবার ব্রিটিশ সরকারে প্রবেশের পর তিনি বলেন, “দেশের জন্য এখন ব্রেক্সিট প্রক্রিয়া পুরোপুরি সম্পন্ন করে ফেলা প্রয়োজন, যাতে অন্যান্য বড় ইস্যুগুলোতে মনোনিবেশ করা যায়।”

নতুন অর্থমন্ত্রী সাজিদ জাভিদ এর আগে স্বরাষ্ট্র দপ্তর সামলেছেন। রাজনীতিতে প্রবেশের আগে তিনি ছিলেন একজন ব্যাংকার। থেরেসা মে’র পদত্যাগের পর নতুন প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌঁড়ে সাজিদ জাভিদও ছিলেন, কিন্তু শুরুর দিকেই বাদ পড়ে যান তিনি।
প্রীতি প্যাটেল মনোনীত হয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে। থেরেসা মে’র মন্ত্রীসভায় তিনি ছিলেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক মন্ত্রী। ২০১৭ সালে ইসরায়েলী কর্মকর্তাদের সাথে অনুমোদনহীন এক বৈঠক করার জেরে পদত্যাগে বাধ্য হন প্রীতি। স্বরাষ্ট্র দপ্তরের দায়িত্ব পেয়ে তিনি ব্রিটেনকে নিরাপদ রাখার এবং অপরাধের উৎসের বিরুদ্ধে লড়াই করার অঙ্গীকার করেন।