চীনের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ঝু রংজি মারা গেছেন। বুধবার (১২ আগস্ট) বেইজিংয়ে অসুস্থতাজনিত কারণে তাঁর মৃত্যু হয়। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৯৮ বছর। চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম সিনহুয়া তাঁর মৃত্যুর খবর জানিয়েছে।
চীনের কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটি, জাতীয় গণকংগ্রেসের স্থায়ী কমিটি, রাষ্ট্রীয় পরিষদ এবং জাতীয় রাজনৈতিক পরামর্শক সম্মেলনের পক্ষ থেকে দেওয়া এক যৌথ শোকবার্তায় ঝু রংজির মৃত্যুর কথা জানানো হয়। এতে তাঁকে দলের ও রাষ্ট্রের একজন অভিজ্ঞ নেতা এবং অসাধারণ রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
ঝু রংজি ১৯৯৮ থেকে ২০০৩ সাল পর্যন্ত চীনের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এর আগে তিনি দেশটির উপপ্রধানমন্ত্রী এবং শাংহাইয়ের মেয়র হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ছিলেন। অর্থনৈতিক সংস্কারের ক্ষেত্রে কঠোর ও বাস্তববাদী অবস্থানের জন্য তিনি চীনের রাজনৈতিক ইতিহাসে বিশেষভাবে পরিচিত ছিলেন।
প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে ঝু রংজি চীনের অর্থনীতিতে ব্যাপক সংস্কার চালান। রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান পুনর্গঠন, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, করব্যবস্থায় পরিবর্তন এবং অর্থনীতিতে কেন্দ্রীয় সরকারের নিয়ন্ত্রণ শক্তিশালী করার মতো বিভিন্ন পদক্ষেপ তাঁর সময়ে নেওয়া হয়।
চীনের বিশ্ব অর্থনীতিতে আরও গভীরভাবে যুক্ত হওয়ার ক্ষেত্রেও তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। তাঁর নেতৃত্বাধীন সরকারের সময় বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থায় (WTO) চীনের যোগদানের প্রক্রিয়া এগিয়ে যায় এবং ২০০১ সালে চীন আনুষ্ঠানিকভাবে সংস্থাটিতে যোগ দেয়।
১৯২৮ সালের অক্টোবরে হুনান প্রদেশের চাংশায় জন্মগ্রহণ করেন ঝু রংজি। তিনি সিংহুয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে বৈদ্যুতিক প্রকৌশল বিষয়ে পড়াশোনা করেন এবং ১৯৪৯ সালে চীনা কমিউনিস্ট পার্টিতে যোগ দেন।
ঝু রংজি তাঁর সরাসরি ও স্পষ্টভাষী বক্তব্যের জন্যও পরিচিত ছিলেন। অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলা এবং প্রশাসনিক সংস্কারের ক্ষেত্রে তাঁর কঠোর অবস্থান তাঁকে চীনের আধুনিক ইতিহাসের অন্যতম আলোচিত অর্থনৈতিক সংস্কারকে পরিণত করে।
২০০৩ সালে প্রধানমন্ত্রীর পদ ছাড়ার পর তিনি সক্রিয় রাজনীতি থেকে অনেকটাই দূরে সরে যান। তবে অর্থনৈতিক সংস্কার নিয়ে তাঁর বক্তব্য ও নীতিগুলো পরবর্তী সময়েও চীনের অর্থনৈতিক উন্নয়ন নিয়ে আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ হয়ে থাকে।
বিশ্লেষকদের মতে, ঝু রংজির সময়ে নেওয়া অর্থনৈতিক সংস্কারগুলো চীনের পরবর্তী দ্রুত অর্থনৈতিক উত্থানের ভিত্তি তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল। তাঁর মৃত্যু দেশটির আধুনিক অর্থনৈতিক সংস্কারের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের অবসান হিসেবে দেখা হচ্ছে।চীনের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ঝু রংজি মারা গেছেন। বুধবার (১২ আগস্ট) বেইজিংয়ে অসুস্থতাজনিত কারণে তাঁর মৃত্যু হয়। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৯৮ বছর। চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম সিনহুয়া তাঁর মৃত্যুর খবর জানিয়েছে।
চীনের কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটি, জাতীয় গণকংগ্রেসের স্থায়ী কমিটি, রাষ্ট্রীয় পরিষদ এবং জাতীয় রাজনৈতিক পরামর্শক সম্মেলনের পক্ষ থেকে দেওয়া এক যৌথ শোকবার্তায় ঝু রংজির মৃত্যুর কথা জানানো হয়। এতে তাঁকে দলের ও রাষ্ট্রের একজন অভিজ্ঞ নেতা এবং অসাধারণ রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
ঝু রংজি ১৯৯৮ থেকে ২০০৩ সাল পর্যন্ত চীনের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এর আগে তিনি দেশটির উপপ্রধানমন্ত্রী এবং শাংহাইয়ের মেয়র হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ছিলেন। অর্থনৈতিক সংস্কারের ক্ষেত্রে কঠোর ও বাস্তববাদী অবস্থানের জন্য তিনি চীনের রাজনৈতিক ইতিহাসে বিশেষভাবে পরিচিত ছিলেন।
প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে ঝু রংজি চীনের অর্থনীতিতে ব্যাপক সংস্কার চালান। রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান পুনর্গঠন, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, করব্যবস্থায় পরিবর্তন এবং অর্থনীতিতে কেন্দ্রীয় সরকারের নিয়ন্ত্রণ শক্তিশালী করার মতো বিভিন্ন পদক্ষেপ তাঁর সময়ে নেওয়া হয়।
চীনের বিশ্ব অর্থনীতিতে আরও গভীরভাবে যুক্ত হওয়ার ক্ষেত্রেও তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। তাঁর নেতৃত্বাধীন সরকারের সময় বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থায় (WTO) চীনের যোগদানের প্রক্রিয়া এগিয়ে যায় এবং ২০০১ সালে চীন আনুষ্ঠানিকভাবে সংস্থাটিতে যোগ দেয়।
১৯২৮ সালের অক্টোবরে হুনান প্রদেশের চাংশায় জন্মগ্রহণ করেন ঝু রংজি। তিনি সিংহুয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে বৈদ্যুতিক প্রকৌশল বিষয়ে পড়াশোনা করেন এবং ১৯৪৯ সালে চীনা কমিউনিস্ট পার্টিতে যোগ দেন।
ঝু রংজি তাঁর সরাসরি ও স্পষ্টভাষী বক্তব্যের জন্যও পরিচিত ছিলেন। অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলা এবং প্রশাসনিক সংস্কারের ক্ষেত্রে তাঁর কঠোর অবস্থান তাঁকে চীনের আধুনিক ইতিহাসের অন্যতম আলোচিত অর্থনৈতিক সংস্কারকে পরিণত করে।
২০০৩ সালে প্রধানমন্ত্রীর পদ ছাড়ার পর তিনি সক্রিয় রাজনীতি থেকে অনেকটাই দূরে সরে যান। তবে অর্থনৈতিক সংস্কার নিয়ে তাঁর বক্তব্য ও নীতিগুলো পরবর্তী সময়েও চীনের অর্থনৈতিক উন্নয়ন নিয়ে আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ হয়ে থাকে।
বিশ্লেষকদের মতে, ঝু রংজির সময়ে নেওয়া অর্থনৈতিক সংস্কারগুলো চীনের পরবর্তী দ্রুত অর্থনৈতিক উত্থানের ভিত্তি তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল। তাঁর মৃত্যু দেশটির আধুনিক অর্থনৈতিক সংস্কারের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের অবসান হিসেবে দেখা হচ্ছে।
