ইসরায়েলের দুই সেনা নিহতের পর পশ্চিম তীরে একের পর এক ভবন ধ্বংস করা শুরু করেছে নেতানিয়াহুর সরকার

সংবাদটি শেয়ার করুন

পশ্চিম তীরে এক হামলায় দুই ইসরায়েলি সেনা নিহত হওয়ার পর অধিকৃত ভূখণ্ডে বড় ধরনের সামরিক অভিযান শুরু করেছে ইসরায়েল। হেবরনের কাছে বন্দুকযুদ্ধের ঘটনার পর প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু কঠোর পদক্ষেপের ঘোষণা দিয়েছেন। এরপর এলাকায় অবরোধ, ঘরে ঘরে তল্লাশি এবং ফিলিস্তিনিদের বাড়িঘর ধ্বংসের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এতে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে এবং বহু পরিবারের বাস্তুচ্যুত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর ভাষ্য অনুযায়ী, হেবরনের কাছে একটি সামরিক চৌকির কাছে হামলায় দুই সেনা নিহত হন এবং আরও কয়েকজন আহত হন। ইসরায়েলি বাহিনী পাল্টা গুলিতে হামলাকারীদের হত্যা করার কথাও জানিয়েছে। ঘটনার পর কর্তৃপক্ষ হামলার সঙ্গে জড়িতদের খুঁজে বের করা এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা ঠেকানোর কথা বলেছে।

তবে অভিযানের পরিধি এবং বেসামরিক মানুষের ওপর এর প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। সামরিক অভিযানের পাশাপাশি বাড়িঘর ধ্বংসের পদক্ষেপ পশ্চিম তীরে সংঘাত আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও পর্যবেক্ষকেরা।

হেবরনের ঘটনার পর অভিযান জোরদার

হেবরন পশ্চিম তীরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শহর। সেখানে ফিলিস্তিনি জনগোষ্ঠীর পাশাপাশি ইসরায়েলি বসতি ও সামরিক উপস্থিতি রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে এলাকাটি সংঘর্ষ, তল্লাশি এবং চলাচলে বিধিনিষেধের কারণে উত্তেজনাপূর্ণ।

দুই সেনা নিহত হওয়ার পর ইসরায়েলি বাহিনী হেবরন ও আশপাশের এলাকায় তল্লাশি চালায়। বিভিন্ন স্থানে প্রবেশ ও বের হওয়ার পথ সীমিত করা হয়। সন্দেহভাজনদের গ্রেপ্তার এবং হামলার সঙ্গে জড়িত নেটওয়ার্ক শনাক্ত করার কথা জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

অভিযানের সময় ঘরবাড়ি তল্লাশি, যানবাহন চলাচল সীমিত করা এবং নির্দিষ্ট এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়। এর ফলে স্থানীয় বাসিন্দাদের দৈনন্দিন জীবন ব্যাহত হয়েছে। ব্যবসা-বাণিজ্য, চিকিৎসাসেবা এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যাতায়াতেও বাধা তৈরি হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা।

বাড়িঘর ধ্বংসের সিদ্ধান্তে বাড়ছে উদ্বেগ

অভিযানের সবচেয়ে বিতর্কিত দিকগুলোর একটি হলো ফিলিস্তিনিদের বাড়িঘর ধ্বংসের সিদ্ধান্ত। নেতানিয়াহু ও তাঁর সরকারের কয়েকজন মন্ত্রী হামলার জবাবে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেছেন। এর পর হেবরনের কাছে কয়েকটি ভবন ভাঙার কাজ শুরু হয়।

ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের বক্তব্য, নিরাপত্তা ঝুঁকি মোকাবিলা এবং হামলার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। অন্যদিকে ফিলিস্তিনি বাসিন্দাদের অভিযোগ, যেসব বাড়ি ধ্বংস করা হচ্ছে, সেগুলোর সঙ্গে হামলার সরাসরি সম্পর্ক নেই। এতে নিরপরাধ পরিবারগুলোও বাসস্থান হারানোর ঝুঁকিতে পড়ছে।

পশ্চিম তীরে ভবন ধ্বংসের ঘটনা দীর্ঘদিন ধরেই আন্তর্জাতিক বিতর্কের বিষয়। ইসরায়েল বিভিন্ন ক্ষেত্রে নিরাপত্তা, অনুমোদনবিহীন নির্মাণ কিংবা হামলাকারীদের পরিবারের বাড়ি ধ্বংসের যুক্তি দেয়। ফিলিস্তিনিরা এসব পদক্ষেপকে সম্মিলিত শাস্তি এবং জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতির ঝুঁকি হিসেবে দেখেন।

আন্তর্জাতিক মানবিক আইনে বেসামরিক মানুষের সুরক্ষা একটি মৌলিক নীতি। সামরিক অভিযানে নিরাপত্তার প্রয়োজন থাকলেও বেসামরিক মানুষের ক্ষতি, আনুপাতিকতা এবং বাস্তুচ্যুতির ঝুঁকি বিবেচনা করা জরুরি।

নির্বাচনের আগে নিরাপত্তা ইস্যুতে রাজনৈতিক চাপ

ইসরায়েলে সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে এই অভিযান শুরু হয়েছে। নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং নেতানিয়াহুর নেতৃত্ব এবারের নির্বাচনী বিতর্কের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। দুই সেনার মৃত্যু সরকারের ওপর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার চাপ বাড়িয়েছে।

নেতানিয়াহু ও তাঁর সরকারের কট্টর ডানপন্থী অংশ কঠোর সামরিক পদক্ষেপের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। তাদের যুক্তি, হামলার জন্য দায়ীদের বিরুদ্ধে শক্ত ব্যবস্থা না নিলে ভবিষ্যতে আরও হামলার ঝুঁকি থাকবে।

অন্যদিকে সমালোচকেরা প্রশ্ন তুলছেন, ব্যাপক অভিযান ও বাড়িঘর ধ্বংস দীর্ঘমেয়াদে নিরাপত্তা বাড়াবে, নাকি ফিলিস্তিনিদের মধ্যে ক্ষোভ আরও বাড়িয়ে সংঘাতকে দীর্ঘস্থায়ী করবে। বেসামরিক মানুষের ক্ষতি এবং বাস্তুচ্যুতির ঘটনা রাজনৈতিক ও মানবিক পরিস্থিতিকে আরও জটিল করতে পারে।

পশ্চিম তীরে সংঘাতের বৃহত্তর প্রেক্ষাপট

১৯৬৭ সাল থেকে পশ্চিম তীর ইসরায়েলের দখলে রয়েছে। সেখানে ইসরায়েলি বসতি সম্প্রসারণ, সামরিক অভিযান, ফিলিস্তিনি হামলা এবং পাল্টা নিরাপত্তা ব্যবস্থার কারণে সহিংসতা বারবার বেড়েছে। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকে ব্যাপকভাবে অবৈধ হিসেবে বিবেচনা করা হয়, যদিও ইসরায়েল এই অবস্থানের বিরোধিতা করে।

গাজা যুদ্ধ ও বৃহত্তর আঞ্চলিক সংঘাতের কারণে ইসরায়েল-ফিলিস্তিন পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। পশ্চিম তীরে নতুন করে সামরিক পদক্ষেপ বাড়লে স্থানীয় উত্তেজনা অন্য এলাকাতেও ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

এরপর কী হতে পারে

অভিযান কত দিন চলবে, কতজনকে গ্রেপ্তার করা হবে এবং ভবন ধ্বংসের কার্যক্রম আরও বিস্তৃত হবে কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়। ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ হামলার সঙ্গে জড়িতদের খুঁজে বের করার কথা বললেও ফিলিস্তিনি বাসিন্দাদের জন্য জরুরি হয়ে উঠেছে নিরাপদ চলাচল, চিকিৎসা এবং বাসস্থানের নিশ্চয়তা।

দুই সেনার মৃত্যু নিরাপত্তা উদ্বেগকে সামনে এনেছে। তবে এর জবাবে নেওয়া পদক্ষেপ বেসামরিক মানুষের অধিকার ও নিরাপত্তাকে কীভাবে প্রভাবিত করছে, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ। পশ্চিম তীরে স্থিতিশীলতা ফিরবে কি না, তা নির্ভর করবে সামরিক অভিযানের পরিধি, বেসামরিক সুরক্ষা এবং রাজনৈতিক সমাধানের সম্ভাবনার ওপর।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের অন্যান্য

নেতানিয়াহুর ভাগ্য নির্ধারণ আজই! সংসদ নির্বাচনে জিতে ক্ষমতায় ফিরবেন, নাকি আসতে চলেছেন আরও কট্টর কেউ?

দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা, গাজা যুদ্ধের পরিণতি, ইরানের সঙ্গে সংঘাত এবং নিরাপত্তা নিয়ে তীব্র বিতর্কের মধ্যে আগামীকাল মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ইসরায়েলে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে গুরুত্বপূর্ণ...

মার্কিন নাগরিকদের হত্যার ছক করছে ইরান? মধ্যপ্রাচ্যে হামলার আশঙ্কায় সতর্ক ওয়াশিংটন

মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে মার্কিন নাগরিকদের লক্ষ্য করে প্রাণঘাতী হামলার পরিকল্পনা জোরদার করেছে ইরান—এমন সতর্কবার্তা দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় গোয়েন্দা বিভাগের প্রধান জে ক্লেটন। তাঁর...

আরও পড়ুন

রুশ ডিজেল বিক্রিতে ছাড় দিলেন ট্রাম্প, জ্বালানির দাম কমানোর উদ্যোগে যুক্তরাষ্ট্রে তীব্র বিতর্ক

যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানির দাম নিয়ন্ত্রণে রাশিয়ার ডিজেল সরবরাহ বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে সমঝোতার কথা জানিয়ে ট্রাম্প বলেছেন, আন্তর্জাতিক...

আজারবাইজানে স্কুলে হিজাব নিয়ে নজিরবিহীন বিক্ষোভ, ধর্মীয় স্বাধীনতা বনাম রাষ্ট্রের ধর্মনিরপেক্ষ নীতি

মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ আজারবাইজানে স্কুলে হিজাব পরা নিয়ে নতুন পোশাকবিধির প্রয়োগ ঘিরে দেশজুড়ে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। ধর্মীয় পোশাক পরার কারণে ছাত্রীদের শ্রেণিকক্ষে প্রবেশে বাধা দেওয়ার...

আলবেনিয়ায় শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আগুন, দুর্নীতি ও ব্যয়বৃদ্ধিতে উত্তাল তিরানা

আলবেনিয়ার রাজধানী তিরানায় শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ সহিংসতায় রূপ নেওয়ায় দেশটির রাজনৈতিক পরিস্থিতি নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যয়, শিক্ষার পরিবেশ, তরুণদের কর্মসংস্থানের অনিশ্চয়তা এবং...

বলতে পারেন, কোন দেশের কাছে কত পারমাণবিক বোমা আছে? সংখ্যা শুনলে অবাক হবেন!

পারমাণবিক অস্ত্র বিশ্বের সবচেয়ে বিধ্বংসী সামরিক শক্তিগুলোর একটি, যার একটি বিস্ফোরণেই মুহূর্তের মধ্যে ধ্বংস হয়ে যেতে পারে একটি শহর, প্রাণ হারাতে পারেন অসংখ্য মানুষ...

সৌদি আরবকে রক্ষায় সব পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত মিসর, মধ্যপ্রাচ্যে কি নতুন সামরিক সমীকরণ?

সৌদি আরবের নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়লে দেশটিকে রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন মিসরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসি। ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের ধারাবাহিক ক্ষেপণাস্ত্র...

পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতি সম্প্রসারণ বন্ধের দাবি চীনের, ফিলিস্তিন ইস্যুতে কূটনৈতিক চাপ বাড়ছে

অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতি স্থাপন বন্ধ এবং বিদ্যমান সম্প্রসারণের পদক্ষেপ প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়েছে চীন। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই আজারবাইজানে এক বৈঠকে ইসরায়েলের প্রেসিডেন্ট...

বলতে পারেন, বিমানের জানালা সবসময় কেন গোল হয়? পেছনে রয়েছে মর্মান্তিক ইতিহাস

বিমানের জানালা গোল বা ডিম্বাকৃতির হওয়ার পেছনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কারণ হলো নিরাপত্তা। তবে এই নকশার গুরুত্ব প্রকটভাবে সামনে আসে ১৯৫০-এর দশকে, যখন ব্রিটিশ যাত্রীবাহী...

আলবার্টার বিচ্ছিন্নতা ঠেকাতে শেষ মুহূর্তের প্রচারে মার্ক কার্নি, ঐক্য রক্ষায় কানাডায় রাজনৈতিক লড়াই

কানাডা থেকে আলবার্টা আলাদা হওয়ার পথে এগোবে কি না, সেই প্রশ্নে গুরুত্বপূর্ণ গণভোটের আগে প্রদেশটির ভোটারদের উদ্দেশে শেষ মুহূর্তের আবেদন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি।...

আফগানিস্তানের সঙ্গে নিঃশর্ত আলোচনায় রাজি নয় পাকিস্তান, সন্ত্রাস দমনে দৃশ্যমান পদক্ষেপের দাবি

আফগানিস্তানের তালেবান সরকারের সঙ্গে আলোচনায় বসতে পাকিস্তান প্রস্তুত থাকলেও কোনো শর্ত ছাড়াই সংলাপে রাজি নয় ইসলামাবাদ। পাকিস্তানের বক্তব্য, আফগান ভূখণ্ড থেকে সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর হামলা...

মালয়েশিয়া সফরে মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট, জান্তার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি ও আসিয়ান কূটনীতি নিয়ে নতুন আলোচনা

মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট মিন অং হ্লাইংয়ের মালয়েশিয়া সফর দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার কূটনীতিতে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ২০২১ সালের সামরিক অভ্যুত্থানের পর থেকে মিয়ানমারের রাজনৈতিক সংকট,...

৩ বিলুপ্তপ্রায় বন্যপ্রাণীর সফল প্রত্যাবর্তন, ২০২৬ সালে প্রকৃতি সংরক্ষণে বিশাল সাফল্য

দীর্ঘদিনের সংরক্ষণ প্রচেষ্টা, বৈজ্ঞানিক গবেষণা এবং স্থানীয় মানুষের অংশগ্রহণে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে হারিয়ে যেতে বসা বন্যপ্রাণীদের ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি দেখা যাচ্ছে। কাজাখস্তানের...

কঙ্গোর বিদ্রোহী জোটের নেতৃত্বে সাবেক প্রেসিডেন্ট কাবিলা, সংঘাতের সমীকরণে বড় পরিবর্তন

আফ্রিকার দেশ গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে দীর্ঘদিনের সংঘাত নতুন রাজনৈতিক মোড় নিয়েছে। দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট জোসেফ কাবিলা পূর্বাঞ্চলে সক্রিয় বিদ্রোহী জোটের নেতৃত্ব গ্রহণ করেছেন। রুয়ান্ডা-সমর্থিত...

মিলেই সরকারের ব্যয় সংকোচনের বিরুদ্ধে আর্জেন্টিনায় শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, বিশ্ববিদ্যালয় অর্থায়ন নিয়ে উত্তেজনা

আর্জেন্টিনায় প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলেই সরকারের ব্যয় সংকোচন নীতির বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও কর্মীদের বিক্ষোভ নতুন করে তীব্র হয়েছে। দেশটির বিভিন্ন শহরে সমাবেশ ও...

জ্বালানি সংকট, চীনের প্রতিযোগিতা ও ইউক্রেন যুদ্ধ—তিন চাপে ইউরোপের অর্থনীতি কতটা বিপর্যস্ত?

ইউরোপের অর্থনীতি এখন এমন এক সময় পার করছে, যখন জ্বালানির বাড়তি ব্যয়, চীনের শিল্প ও প্রযুক্তিগত প্রতিযোগিতা এবং ইউক্রেন যুদ্ধের দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব একসঙ্গে চাপ...

আরও পড়ুন

সৌদি আরবের আকাশ প্রতিরক্ষায় ফাঁক কোথায়? হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনে বাড়ছে নিরাপত্তা উদ্বেগ

ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের ধারাবাহিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা সৌদি আরবের আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থার সক্ষমতা নিয়ে নতুন প্রশ্ন তৈরি করেছে। উন্নত রাডার, ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধী ব্যবস্থা এবং...

যন্তর মন্তর: জ্যোতির্বিদ্যার পর্যবেক্ষণাগার থেকে ভারতের গণআন্দোলনের প্রতীক, বদলে যাচ্ছে প্রতিবাদের ঠিকানা

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির যন্তর মন্তর দীর্ঘদিন ধরে প্রতিবাদ, অনশন ও নাগরিক আন্দোলনের পরিচিত ঠিকানা। দুর্নীতিবিরোধী আন্দোলন থেকে শুরু করে কৃষকের দাবি, নারীর নিরাপত্তা, ক্রীড়াবিদদের...

তাইওয়ান উত্তেজনার মধ্যে ফিলিপাইনকে কড়া বার্তা চীনের, দক্ষিণ চীন সাগরে বাড়ছে সংঘাতের ঝুঁকি

দক্ষিণ চীন সাগরে চীন ও ফিলিপাইনের মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধ নতুন করে উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে উঠেছে। সাম্প্রতিক সময়ে চীনা কূটনীতিকের মন্তব্যকে ফিলিপাইন সম্ভাব্য শক্তি প্রয়োগের হুমকি...

ইন্দোনেশিয়ার দাবানলে বিষাক্ত ধোঁয়ায় বিপর্যস্ত দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত প্রায় ২ লাখ ৮৩ হাজার

ইন্দোনেশিয়ার বন ও ভূমিতে ছড়িয়ে পড়া দাবানলের ধোঁয়ায় দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে জনস্বাস্থ্য সংকট তৈরি হয়েছে। ধোঁয়া ও বায়ুদূষণের কারণে প্রায় ২ লাখ ৮৩...

ব্রাজিলের নির্বাচনে ফ্লাভিও বলসোনারোর পাশে একের পর এক দল, বিরোধী জোটে বাড়ছে সমর্থন

ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনকে ঘিরে রাজনৈতিক মেরুকরণ আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। দ্বিতীয় দফার ভোট সামনে রেখে সাবেক প্রেসিডেন্ট জাইর বলসোনারোর ছেলে ও ডানপন্থী প্রার্থী ফ্লাভিও...

জাপানের বিরুদ্ধে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ অস্বীকার, রাশিয়ায় সাংবাদিক গ্রেপ্তার ঘিরে কূটনৈতিক উত্তেজনা

রাশিয়ায় জাপানি সাংবাদিক ইউকি ইমাইকে গুপ্তচরবৃত্তির সন্দেহে আটক করার পর দুই দেশের মধ্যে নতুন কূটনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। মস্কোর অভিযোগ, সাংবাদিকটি রাশিয়ার প্রতিরক্ষা সক্ষমতা...

আঙুলের নখের চেয়েও ছোট্ট ব্যাঙের সন্ধান! ৭ মিলিমিটারের ক্ষুদ্রতম প্রজাতি দেখে বিষ্মিত বিজ্ঞানীরাও

ব্রাজিলের ঘন চিরসবুজ বনে পাতার স্তূপের নিচে লুকিয়ে রয়েছে এমন এক ব্যাঙ, যার দৈর্ঘ্য একটি ছোট পিঁপড়ার চেয়ে সামান্যই বেশি। পূর্ণবয়স্ক অবস্থায় এর দৈর্ঘ্য...

প্রবাল বাঁচাতে সমুদ্রের তলদেশে বাজানো হচ্ছে ‘ঘুমপাড়ানি গান’, ফিরছেও মাছ ও সামুদ্রিক প্রাণী

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সমুদ্রের তাপমাত্রা বাড়ছে, বাড়ছে প্রবালের বিবর্ণ হয়ে যাওয়ার ঝুঁকিও। বিশ্বের বহু অঞ্চলে প্রবাল প্রাচীর ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় বিপন্ন হয়ে পড়ছে অসংখ্য সামুদ্রিক...