টেলিভিশনে কত লোককেই তো দেখেছেন! জানেন কি, কে সবার প্রথম পর্দায় এসেছিলেন?

সংবাদটি শেয়ার করুন

আজকের রঙিন, ঝকঝকে ও উচ্চপ্রযুক্তির টেলিভিশনের যাত্রা শুরু হয়েছিল এক শতাব্দী আগে, অত্যন্ত সাধারণ একটি যন্ত্রের মাধ্যমে। তখন টেলিভিশনের ছবি ছিল অস্পষ্ট, সাদা-কালো এবং ঝাপসা। কিন্তু সেই অস্পষ্ট ছবিই বদলে দিয়েছিল মানুষের যোগাযোগ ও বিনোদনের ভবিষ্যৎ। আশ্চর্যের বিষয় হলো, টেলিভিশনের পর্দায় প্রথম মানুষের মুখ দেখানোর পেছনে ছিলেন না কোনো বিখ্যাত অভিনেতা বা রাজনীতিবিদ। ছিলেন লন্ডনের এক তরুণ অফিসকর্মী।

টেলিভিশনের পর্দায় প্রথম মানুষ কে?

টেলিভিশনের ইতিহাসে প্রথম স্বীকৃত চলমান মানবমুখের অন্যতম পথিকৃৎ হিসেবে পরিচিত উইলিয়াম এডওয়ার্ড টেন্টন। ১৯২৫ সালের ২ অক্টোবর স্কটিশ উদ্ভাবক জন লোগি বেয়ার্ড তাঁর পরীক্ষাগারে টেন্টনের মুখের চলমান ছবি টেলিভিশন যন্ত্রের মাধ্যমে অন্য প্রান্তে পাঠাতে সক্ষম হন।

সেই সময় টেন্টনের বয়স ছিল মাত্র ২০ বছর। তিনি লন্ডনের সোহো এলাকায় একটি প্রতিষ্ঠানে অফিসকর্মী হিসেবে কাজ করতেন। তাঁর কর্মস্থলের ওপরের তলায় পরীক্ষাগার তৈরি করেছিলেন বেয়ার্ড। সেখানেই চলছিল নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবনের নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষা।

এর আগে বেয়ার্ড একটি পুতুলের মাথার ছবি যন্ত্রের মাধ্যমে পাঠাতে সক্ষম হয়েছিলেন। তবে জীবন্ত মানুষের মুখের নড়াচড়া পর্দায় ফুটিয়ে তোলা ছিল অনেক বেশি কঠিন। টেন্টনের মুখের ছবি সফলভাবে পাঠানোর মধ্য দিয়ে সেই বাধা অতিক্রমের গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়া হয়।

কেমন ছিল প্রথম টেলিভিশনের ছবি?

বর্তমান সময়ের টেলিভিশনের সঙ্গে তুলনা করলে প্রথম দিকের ছবিগুলোকে প্রায় অবিশ্বাস্য রকমের নিম্নমানের মনে হবে। ছবিতে স্পষ্ট চোখ, নাক কিংবা মুখের অভিব্যক্তি বোঝা কঠিন ছিল। আলো-ছায়ার অস্পষ্ট রেখার মধ্যে দিয়ে মানুষের মুখের নড়াচড়া কোনো রকমে শনাক্ত করা যেত।

বেয়ার্ডের তৈরি যন্ত্রটি ছিল যান্ত্রিক প্রযুক্তিনির্ভর। এতে দ্রুত ঘূর্ণায়মান ছিদ্রযুক্ত চাকতি ও আলোর সাহায্যে কোনো বস্তুর ছবি পর্যায়ক্রমে বিশ্লেষণ করা হতো। এরপর সেই তথ্য বৈদ্যুতিক সংকেতের মাধ্যমে পাঠিয়ে অন্য প্রান্তে ছবিটি পুনর্গঠন করা হতো।

এই প্রক্রিয়ায় ছবির মান ছিল সীমিত। তবু স্থির ছবি নয়, বরং চলমান কোনো মানুষের মুখ পর্দায় দেখা সম্ভব হওয়াটাই ছিল যুগান্তকারী ঘটনা।

টেন্টন পরবর্তী সময়ে স্মৃতিচারণে জানিয়েছিলেন, বেয়ার্ডের পরীক্ষাগারটি ছিল তার, তার ও নানা যন্ত্রপাতিতে ভরা। সেখানে ব্যবহৃত তীব্র আলোর কারণে বেশিক্ষণ যন্ত্রের সামনে বসে থাকাও কঠিন ছিল।

কেন টেন্টনকে বেছে নিয়েছিলেন বেয়ার্ড?

পরীক্ষার জন্য এমন একজন মানুষের প্রয়োজন ছিল, যিনি ক্যামেরার সামনে বসে মুখের নড়াচড়া করতে পারবেন। পুতুলের মাথা দিয়ে প্রাথমিক পরীক্ষা সফল হলেও জীবন্ত মানুষের মুখের অভিব্যক্তি ধারণ করাই ছিল পরবর্তী লক্ষ্য।

বেয়ার্ডের পরীক্ষাগারের আশপাশেই কাজ করতেন টেন্টন। তাই তাঁকে পরীক্ষায় অংশ নিতে অনুরোধ করা হয়। টেন্টন প্রথমে কিছুটা অস্বস্তি বোধ করলেও শেষ পর্যন্ত পরীক্ষায় অংশ নেন।

পরীক্ষার সময় তাঁকে মুখ নড়াতে এবং জিহ্বা বের করে বিভিন্ন অভিব্যক্তি তৈরি করতে বলা হয়েছিল। অতিরিক্ত তাপের কারণে তাঁকে বারবার সরে যেতে হচ্ছিল। তবু বেয়ার্ডের কাছে পরীক্ষাটি সফল হওয়া ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

অবশেষে যন্ত্রের অপর প্রান্তে টেন্টনের মুখের চলমান ছবি দেখা যায়। এতে উচ্ছ্বসিত হয়ে ওঠেন বেয়ার্ড। তাঁর বহুদিনের গবেষণা যে বাস্তব ফল দিতে শুরু করেছে, তা তখন স্পষ্ট হয়ে যায়।

প্রথম টেলিভিশন প্রদর্শনী কবে হয়েছিল?

এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য রয়েছে। টেলিভিশনের পর্দায় প্রথম মানবমুখের ছবি পাঠানো এবং জনসমক্ষে টেলিভিশন প্রযুক্তির প্রদর্শনী—দুটি আলাদা ঘটনা।

১৯২৫ সালের ২ অক্টোবর বেয়ার্ড টেন্টনের মুখের চলমান ছবি সফলভাবে পাঠান। এরপর ১৯২৬ সালের ২৬ জানুয়ারি লন্ডনের রয়্যাল ইনস্টিটিউশনের সদস্যদের সামনে তিনি তাঁর উদ্ভাবিত টেলিভিশন ব্যবস্থা প্রদর্শন করেন। এই প্রদর্শনীকে কার্যকর টেলিভিশন প্রযুক্তির ইতিহাসে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

প্রদর্শনীতে উপস্থিত বিজ্ঞানী ও পর্যবেক্ষকেরা এক কক্ষ থেকে অন্য কক্ষে পাঠানো ছবিতে নড়াচড়া দেখতে পেয়েছিলেন। ছবির মান তখনো অস্পষ্ট ছিল, কিন্তু বাস্তব মানুষের মুখের অভিব্যক্তি ও নড়াচড়া পর্দায় পুনরুৎপাদন করা সম্ভব হয়েছিল।

বেয়ার্ডের এই সাফল্য প্রমাণ করে যে দূরে থাকা কোনো ব্যক্তির চলমান ছবি বৈদ্যুতিক সংকেতের সাহায্যে অন্য স্থানে পাঠানো সম্ভব।

সেখান থেকে আজকের টেলিভিশন

টেলিভিশনের আবিষ্কার কোনো একজন ব্যক্তির একক প্রচেষ্টায় সম্পন্ন হয়নি। এর পেছনে ছিল বহু বিজ্ঞানী ও উদ্ভাবকের দীর্ঘদিনের গবেষণা। ছবি বিশ্লেষণ, বৈদ্যুতিক সংকেতের মাধ্যমে তথ্য পাঠানো এবং পর্দায় সেই ছবি পুনর্গঠনের ধারণা নিয়ে উনিশ শতক থেকেই পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছিল।

বেয়ার্ডের যান্ত্রিক টেলিভিশন সেই গবেষণাকে বাস্তব ব্যবহারের কাছাকাছি নিয়ে যায়। পরে উন্নত ইলেকট্রনিক প্রযুক্তি টেলিভিশনের ছবির মান ও সম্প্রচারের সক্ষমতা বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।

১৯৩৬ সালে যুক্তরাজ্যে বিবিসি নিয়মিত উচ্চমানের টেলিভিশন সম্প্রচার শুরু করে। এরপর কয়েক দশকের মধ্যে টেলিভিশন বিশ্বের কোটি কোটি মানুষের ঘরে পৌঁছে যায়। সংবাদ, খেলাধুলা, নাটক, সিনেমা ও সরাসরি সম্প্রচার মানুষের দৈনন্দিন জীবনের অংশ হয়ে ওঠে।

আজকের স্মার্ট টিভি, উচ্চ রেজল্যুশনের পর্দা কিংবা সরাসরি সম্প্রচারের পেছনে রয়েছে সেই প্রাথমিক পরীক্ষাগুলোর অবদান।

টেলিভিশনের ইতিহাসে তাই উইলিয়াম টেন্টনের নাম বিশেষভাবে স্মরণীয়। তিনি ছিলেন না কোনো তারকা, বিজ্ঞানী কিংবা রাজনীতিবিদ। কিন্তু এক তরুণ অফিসকর্মী হিসেবে তাঁর অংশগ্রহণ প্রযুক্তির ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তের সঙ্গে জড়িয়ে যায়। তাঁর মুখের সেই অস্পষ্ট চলমান ছবিই যেন আধুনিক টেলিভিশন যুগের সূচনাপর্বের প্রতীক হয়ে রয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের অন্যান্য

উদ্বোধন হওয়া নতুন সেতু দিয়েই উত্তর কোরিয়া থেকে চীন সফরে গেলেন কিম জং উন

উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন নতুন চালু হওয়া সীমান্ত সেতু পেরিয়ে চীনে আকস্মিক সফর করেছেন। দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক যোগাযোগ বাড়ানোর সম্ভাবনার পাশাপাশি...

মধ্যবর্তী নির্বাচনে হারার শঙ্কা! কানাডার কয়েক পণ্যের ওপর থেকে শুল্ক প্রত্যাহার করলেন ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন সামনে রেখে কানাডার কয়েকটি পণ্যের ওপর আরোপিত ৫০ শতাংশ শুল্ক প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আগামী ৩০ অক্টোবর থেকে কার্যকর...

আরও পড়ুন

রুশ ডিজেল বিক্রিতে ছাড় দিলেন ট্রাম্প, জ্বালানির দাম কমানোর উদ্যোগে যুক্তরাষ্ট্রে তীব্র বিতর্ক

যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানির দাম নিয়ন্ত্রণে রাশিয়ার ডিজেল সরবরাহ বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে সমঝোতার কথা জানিয়ে ট্রাম্প বলেছেন, আন্তর্জাতিক...

আজারবাইজানে স্কুলে হিজাব নিয়ে নজিরবিহীন বিক্ষোভ, ধর্মীয় স্বাধীনতা বনাম রাষ্ট্রের ধর্মনিরপেক্ষ নীতি

মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ আজারবাইজানে স্কুলে হিজাব পরা নিয়ে নতুন পোশাকবিধির প্রয়োগ ঘিরে দেশজুড়ে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। ধর্মীয় পোশাক পরার কারণে ছাত্রীদের শ্রেণিকক্ষে প্রবেশে বাধা দেওয়ার...

আলবেনিয়ায় শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আগুন, দুর্নীতি ও ব্যয়বৃদ্ধিতে উত্তাল তিরানা

আলবেনিয়ার রাজধানী তিরানায় শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ সহিংসতায় রূপ নেওয়ায় দেশটির রাজনৈতিক পরিস্থিতি নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যয়, শিক্ষার পরিবেশ, তরুণদের কর্মসংস্থানের অনিশ্চয়তা এবং...

বলতে পারেন, কোন দেশের কাছে কত পারমাণবিক বোমা আছে? সংখ্যা শুনলে অবাক হবেন!

পারমাণবিক অস্ত্র বিশ্বের সবচেয়ে বিধ্বংসী সামরিক শক্তিগুলোর একটি, যার একটি বিস্ফোরণেই মুহূর্তের মধ্যে ধ্বংস হয়ে যেতে পারে একটি শহর, প্রাণ হারাতে পারেন অসংখ্য মানুষ...

সৌদি আরবকে রক্ষায় সব পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত মিসর, মধ্যপ্রাচ্যে কি নতুন সামরিক সমীকরণ?

সৌদি আরবের নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়লে দেশটিকে রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন মিসরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসি। ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের ধারাবাহিক ক্ষেপণাস্ত্র...

পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতি সম্প্রসারণ বন্ধের দাবি চীনের, ফিলিস্তিন ইস্যুতে কূটনৈতিক চাপ বাড়ছে

অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতি স্থাপন বন্ধ এবং বিদ্যমান সম্প্রসারণের পদক্ষেপ প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়েছে চীন। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই আজারবাইজানে এক বৈঠকে ইসরায়েলের প্রেসিডেন্ট...

বলতে পারেন, বিমানের জানালা সবসময় কেন গোল হয়? পেছনে রয়েছে মর্মান্তিক ইতিহাস

বিমানের জানালা গোল বা ডিম্বাকৃতির হওয়ার পেছনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কারণ হলো নিরাপত্তা। তবে এই নকশার গুরুত্ব প্রকটভাবে সামনে আসে ১৯৫০-এর দশকে, যখন ব্রিটিশ যাত্রীবাহী...

আলবার্টার বিচ্ছিন্নতা ঠেকাতে শেষ মুহূর্তের প্রচারে মার্ক কার্নি, ঐক্য রক্ষায় কানাডায় রাজনৈতিক লড়াই

কানাডা থেকে আলবার্টা আলাদা হওয়ার পথে এগোবে কি না, সেই প্রশ্নে গুরুত্বপূর্ণ গণভোটের আগে প্রদেশটির ভোটারদের উদ্দেশে শেষ মুহূর্তের আবেদন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি।...

আফগানিস্তানের সঙ্গে নিঃশর্ত আলোচনায় রাজি নয় পাকিস্তান, সন্ত্রাস দমনে দৃশ্যমান পদক্ষেপের দাবি

আফগানিস্তানের তালেবান সরকারের সঙ্গে আলোচনায় বসতে পাকিস্তান প্রস্তুত থাকলেও কোনো শর্ত ছাড়াই সংলাপে রাজি নয় ইসলামাবাদ। পাকিস্তানের বক্তব্য, আফগান ভূখণ্ড থেকে সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর হামলা...

মালয়েশিয়া সফরে মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট, জান্তার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি ও আসিয়ান কূটনীতি নিয়ে নতুন আলোচনা

মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট মিন অং হ্লাইংয়ের মালয়েশিয়া সফর দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার কূটনীতিতে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ২০২১ সালের সামরিক অভ্যুত্থানের পর থেকে মিয়ানমারের রাজনৈতিক সংকট,...

৩ বিলুপ্তপ্রায় বন্যপ্রাণীর সফল প্রত্যাবর্তন, ২০২৬ সালে প্রকৃতি সংরক্ষণে বিশাল সাফল্য

দীর্ঘদিনের সংরক্ষণ প্রচেষ্টা, বৈজ্ঞানিক গবেষণা এবং স্থানীয় মানুষের অংশগ্রহণে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে হারিয়ে যেতে বসা বন্যপ্রাণীদের ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি দেখা যাচ্ছে। কাজাখস্তানের...

কঙ্গোর বিদ্রোহী জোটের নেতৃত্বে সাবেক প্রেসিডেন্ট কাবিলা, সংঘাতের সমীকরণে বড় পরিবর্তন

আফ্রিকার দেশ গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে দীর্ঘদিনের সংঘাত নতুন রাজনৈতিক মোড় নিয়েছে। দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট জোসেফ কাবিলা পূর্বাঞ্চলে সক্রিয় বিদ্রোহী জোটের নেতৃত্ব গ্রহণ করেছেন। রুয়ান্ডা-সমর্থিত...

মিলেই সরকারের ব্যয় সংকোচনের বিরুদ্ধে আর্জেন্টিনায় শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, বিশ্ববিদ্যালয় অর্থায়ন নিয়ে উত্তেজনা

আর্জেন্টিনায় প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলেই সরকারের ব্যয় সংকোচন নীতির বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও কর্মীদের বিক্ষোভ নতুন করে তীব্র হয়েছে। দেশটির বিভিন্ন শহরে সমাবেশ ও...

জ্বালানি সংকট, চীনের প্রতিযোগিতা ও ইউক্রেন যুদ্ধ—তিন চাপে ইউরোপের অর্থনীতি কতটা বিপর্যস্ত?

ইউরোপের অর্থনীতি এখন এমন এক সময় পার করছে, যখন জ্বালানির বাড়তি ব্যয়, চীনের শিল্প ও প্রযুক্তিগত প্রতিযোগিতা এবং ইউক্রেন যুদ্ধের দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব একসঙ্গে চাপ...

আরও পড়ুন

সৌদি আরবের আকাশ প্রতিরক্ষায় ফাঁক কোথায়? হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনে বাড়ছে নিরাপত্তা উদ্বেগ

ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের ধারাবাহিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা সৌদি আরবের আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থার সক্ষমতা নিয়ে নতুন প্রশ্ন তৈরি করেছে। উন্নত রাডার, ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধী ব্যবস্থা এবং...

যন্তর মন্তর: জ্যোতির্বিদ্যার পর্যবেক্ষণাগার থেকে ভারতের গণআন্দোলনের প্রতীক, বদলে যাচ্ছে প্রতিবাদের ঠিকানা

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির যন্তর মন্তর দীর্ঘদিন ধরে প্রতিবাদ, অনশন ও নাগরিক আন্দোলনের পরিচিত ঠিকানা। দুর্নীতিবিরোধী আন্দোলন থেকে শুরু করে কৃষকের দাবি, নারীর নিরাপত্তা, ক্রীড়াবিদদের...

তাইওয়ান উত্তেজনার মধ্যে ফিলিপাইনকে কড়া বার্তা চীনের, দক্ষিণ চীন সাগরে বাড়ছে সংঘাতের ঝুঁকি

দক্ষিণ চীন সাগরে চীন ও ফিলিপাইনের মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধ নতুন করে উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে উঠেছে। সাম্প্রতিক সময়ে চীনা কূটনীতিকের মন্তব্যকে ফিলিপাইন সম্ভাব্য শক্তি প্রয়োগের হুমকি...

ইন্দোনেশিয়ার দাবানলে বিষাক্ত ধোঁয়ায় বিপর্যস্ত দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত প্রায় ২ লাখ ৮৩ হাজার

ইন্দোনেশিয়ার বন ও ভূমিতে ছড়িয়ে পড়া দাবানলের ধোঁয়ায় দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে জনস্বাস্থ্য সংকট তৈরি হয়েছে। ধোঁয়া ও বায়ুদূষণের কারণে প্রায় ২ লাখ ৮৩...

ব্রাজিলের নির্বাচনে ফ্লাভিও বলসোনারোর পাশে একের পর এক দল, বিরোধী জোটে বাড়ছে সমর্থন

ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনকে ঘিরে রাজনৈতিক মেরুকরণ আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। দ্বিতীয় দফার ভোট সামনে রেখে সাবেক প্রেসিডেন্ট জাইর বলসোনারোর ছেলে ও ডানপন্থী প্রার্থী ফ্লাভিও...

জাপানের বিরুদ্ধে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ অস্বীকার, রাশিয়ায় সাংবাদিক গ্রেপ্তার ঘিরে কূটনৈতিক উত্তেজনা

রাশিয়ায় জাপানি সাংবাদিক ইউকি ইমাইকে গুপ্তচরবৃত্তির সন্দেহে আটক করার পর দুই দেশের মধ্যে নতুন কূটনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। মস্কোর অভিযোগ, সাংবাদিকটি রাশিয়ার প্রতিরক্ষা সক্ষমতা...

আঙুলের নখের চেয়েও ছোট্ট ব্যাঙের সন্ধান! ৭ মিলিমিটারের ক্ষুদ্রতম প্রজাতি দেখে বিষ্মিত বিজ্ঞানীরাও

ব্রাজিলের ঘন চিরসবুজ বনে পাতার স্তূপের নিচে লুকিয়ে রয়েছে এমন এক ব্যাঙ, যার দৈর্ঘ্য একটি ছোট পিঁপড়ার চেয়ে সামান্যই বেশি। পূর্ণবয়স্ক অবস্থায় এর দৈর্ঘ্য...

প্রবাল বাঁচাতে সমুদ্রের তলদেশে বাজানো হচ্ছে ‘ঘুমপাড়ানি গান’, ফিরছেও মাছ ও সামুদ্রিক প্রাণী

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সমুদ্রের তাপমাত্রা বাড়ছে, বাড়ছে প্রবালের বিবর্ণ হয়ে যাওয়ার ঝুঁকিও। বিশ্বের বহু অঞ্চলে প্রবাল প্রাচীর ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় বিপন্ন হয়ে পড়ছে অসংখ্য সামুদ্রিক...