জর্ডানে গির্জায় বন্দুকধারীদের ভয়াবহ হামলা, নিহত ৯: দেশজুড়ে কঠোর নিরাপত্তা

সংবাদটি শেয়ার করুন

জর্ডানের দক্ষিণাঞ্চলে একটি গির্জায় শেষকৃত্যের অনুষ্ঠানে বন্দুকধারীদের হামলায় নয়জন নিহত এবং প্রায় ৪০ জন আহত হয়েছেন। বিরল এই হামলার পর দেশজুড়ে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে। হামলাকারীদের খুঁজে বের করতে অভিযান চালাচ্ছে নিরাপত্তা বাহিনী। একই সঙ্গে ধর্মীয় উপাসনালয়, জনসমাগমস্থল ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

ঘটনাটি ঘটেছে কারাক গভর্নরেটের হামুদ গ্রামের সেন্ট জর্জ গ্রিক অর্থোডক্স গির্জায়। সেখানে একটি শেষকৃত্য অনুষ্ঠানে স্বজন ও স্থানীয় বাসিন্দারা জড়ো হয়েছিলেন। ঠিক সেই সময় বন্দুকধারীরা গুলি চালালে অনুষ্ঠানস্থলে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। অনেকে প্রাণ বাঁচাতে ছোটাছুটি করেন, আবার কেউ গির্জার ভেতরে ও আশপাশের বিভিন্ন স্থানে আশ্রয় নেওয়ার চেষ্টা করেন।

হামলার পর আহতদের দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়। নিহতদের মধ্যে আটজনকে রোববার দাফন করা হয়েছে। নবম নিহত ব্যক্তির দাফন পরদিন হওয়ার কথা ছিল। হামলার উদ্দেশ্য এবং বন্দুকধারীদের পরিচয় নিশ্চিত করতে তদন্ত চলছে।

শেষকৃত্যের অনুষ্ঠানে মুহূর্তেই ছড়িয়ে পড়ে আতঙ্ক

প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনা অনুযায়ী, গির্জায় শেষকৃত্যের আয়োজন চলার সময় বন্দুকধারীরা সেখানে উপস্থিত মানুষের দিকে গুলি চালায়। গুলির শব্দ শুনে উপস্থিত লোকজন নিরাপদ জায়গায় যাওয়ার চেষ্টা করেন। কয়েকজন গির্জার স্তম্ভ ও দেয়ালের আড়ালে আশ্রয় নেন।

হামলার পর ঘটনাস্থলে রক্তাক্ত মানুষ, ভাঙা জানালা এবং গুলির চিহ্ন দেখা যায়। উদ্ধারকর্মীরা আহতদের সরিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি ঘটনাস্থল নিরাপদ করার কাজ করেন।

আহতদের মধ্যে নারী ও পুরুষ উভয়ই রয়েছেন। কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় চিকিৎসকদের বিশেষ পর্যবেক্ষণে রাখা হয়। নিহতদের পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে শোকের পাশাপাশি নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ে।

তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক, নিরাপত্তা জোরদার

ঘটনার পর জর্ডানের রাজা দ্বিতীয় আবদুল্লাহ নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থার পূর্ণাঙ্গ মূল্যায়নের নির্দেশ দেন। সরকার তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করে। নিরাপত্তা বাহিনী হামলাকারীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের জন্য তল্লাশি শুরু করে।

কর্তৃপক্ষ ঘটনাটিকে চরমপন্থী সন্ত্রাসী হামলা হিসেবে বর্ণনা করেছে। তবে হামলাকারীরা কোনো পরিচিত সশস্ত্র সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত কি না, তা এখনো নিশ্চিত হয়নি। কোনো সংগঠনও হামলার দায় স্বীকার করেনি।

জর্ডান মধ্যপ্রাচ্যের তুলনামূলক স্থিতিশীল দেশ হিসেবে পরিচিত। দেশটির মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগোষ্ঠীর পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরে খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের মানুষ বসবাস করছেন। বিভিন্ন ধর্মীয় সম্প্রদায়ের সহাবস্থান দেশটির সামাজিক জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

এই পরিস্থিতিতে গির্জায় এমন প্রাণঘাতী হামলা বিশেষ উদ্বেগ তৈরি করেছে। নিরাপত্তা কর্মকর্তারা উপাসনালয় ও জনসমাগমস্থলে সতর্কতা বাড়িয়েছেন। একই সঙ্গে তদন্তের স্বার্থে যাচাই না করা তথ্য ছড়িয়ে না দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

ধর্মীয় সম্প্রীতি নষ্ট করার আশঙ্কা

জর্ডানের খ্রিষ্টান সম্প্রদায় দেশটির ইতিহাস ও সংস্কৃতির সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত। গির্জা, ধর্মীয় উৎসব এবং সামাজিক অনুষ্ঠান তাদের সম্প্রদায়িক জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। শেষকৃত্যের মতো একটি অনুষ্ঠানে হামলা হওয়ায় ধর্মীয় স্থানের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।

তবে হামলার উদ্দেশ্য সম্পর্কে নিশ্চিত তথ্য না পাওয়া পর্যন্ত ঘটনাটিকে সরাসরি ধর্মীয় বিদ্বেষের ফল বলে সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যাচ্ছে না। তদন্তকারীদের এখন হামলাকারীদের পরিচয়, তাদের সম্ভাব্য সহযোগী এবং হামলার পরিকল্পনার পেছনের কারণ খুঁজে বের করতে হবে।

ঘটনার পর বিভিন্ন ধর্মীয় সম্প্রদায়ের মানুষ নিহতদের পরিবারের প্রতি সংহতি জানিয়েছেন। স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকেরা আহতদের সহায়তায় এগিয়ে এসেছেন। মুসলিম ও খ্রিষ্টান বাসিন্দাদের একসঙ্গে শোক প্রকাশের ঘটনাও দেশটির সামাজিক সম্প্রীতি রক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরেছে।

নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কী পরিবর্তন আসতে পারে

হামলার পর গির্জা, ধর্মীয় অনুষ্ঠান ও বড় জনসমাগমে প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ, নজরদারি এবং জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত সাড়া দেওয়ার ব্যবস্থা আরও কঠোর হতে পারে। সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড শনাক্ত করা এবং স্থানীয় সম্প্রদায়ের সঙ্গে নিরাপত্তা বাহিনীর যোগাযোগ বাড়ানোও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

তবে শুধু নিরাপত্তা বাড়ালেই দীর্ঘমেয়াদি ঝুঁকি পুরোপুরি দূর করা যায় না। হামলার পেছনের নেটওয়ার্ক ও উদ্দেশ্য শনাক্ত করা এবং ভবিষ্যতে একই ধরনের ঘটনা ঠেকাতে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।

তদন্তের ফলের অপেক্ষা

এখন পর্যন্ত হামলাকারীদের পরিচয় ও উদ্দেশ্য সম্পর্কে চূড়ান্ত তথ্য পাওয়া যায়নি। ফলে কারা এই হামলার পরিকল্পনা করেছে, তা নিয়ে অনুমান করার সুযোগ থাকলেও নিশ্চিত সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর সময় আসেনি।

জর্ডানের সামনে তাৎক্ষণিক চ্যালেঞ্জ হলো অপরাধীদের গ্রেপ্তার, আহতদের চিকিৎসা নিশ্চিত করা এবং ধর্মীয় সম্প্রদায়গুলোর নিরাপত্তা ও আস্থা বজায় রাখা। একই সঙ্গে তদন্তের ফলের ভিত্তিতে ভবিষ্যতে এমন হামলা ঠেকানোর জন্য কী ধরনের ব্যবস্থা প্রয়োজন, সেটিও নির্ধারণ করতে হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের অন্যান্য

ইসরায়েলের নির্বাচনে অর্ধেক ভোট গণনা, এখন পর্যন্ত এগিয়ে নেতানিয়াহু শিবির, তবে এখনও অনিশ্চিত সরকার গঠন

ইসরায়েলের জাতীয় নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ক্ষমতা ধরে রাখার লড়াই আরও কঠিন হয়ে উঠেছে। ভোট গণনা যত এগোচ্ছে, ততই বদলে যাচ্ছে সরকার গঠনের সমীকরণ।...

নেতানিয়াহুর ভাগ্য নির্ধারণ আজই! সংসদ নির্বাচনে জিতে ক্ষমতায় ফিরবেন, নাকি আসতে চলেছেন আরও কট্টর কেউ?

দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা, গাজা যুদ্ধের পরিণতি, ইরানের সঙ্গে সংঘাত এবং নিরাপত্তা নিয়ে তীব্র বিতর্কের মধ্যে আগামীকাল মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ইসরায়েলে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে গুরুত্বপূর্ণ...

আরও পড়ুন

রুশ ডিজেল বিক্রিতে ছাড় দিলেন ট্রাম্প, জ্বালানির দাম কমানোর উদ্যোগে যুক্তরাষ্ট্রে তীব্র বিতর্ক

যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানির দাম নিয়ন্ত্রণে রাশিয়ার ডিজেল সরবরাহ বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে সমঝোতার কথা জানিয়ে ট্রাম্প বলেছেন, আন্তর্জাতিক...

আজারবাইজানে স্কুলে হিজাব নিয়ে নজিরবিহীন বিক্ষোভ, ধর্মীয় স্বাধীনতা বনাম রাষ্ট্রের ধর্মনিরপেক্ষ নীতি

মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ আজারবাইজানে স্কুলে হিজাব পরা নিয়ে নতুন পোশাকবিধির প্রয়োগ ঘিরে দেশজুড়ে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। ধর্মীয় পোশাক পরার কারণে ছাত্রীদের শ্রেণিকক্ষে প্রবেশে বাধা দেওয়ার...

আলবেনিয়ায় শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আগুন, দুর্নীতি ও ব্যয়বৃদ্ধিতে উত্তাল তিরানা

আলবেনিয়ার রাজধানী তিরানায় শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ সহিংসতায় রূপ নেওয়ায় দেশটির রাজনৈতিক পরিস্থিতি নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যয়, শিক্ষার পরিবেশ, তরুণদের কর্মসংস্থানের অনিশ্চয়তা এবং...

বলতে পারেন, কোন দেশের কাছে কত পারমাণবিক বোমা আছে? সংখ্যা শুনলে অবাক হবেন!

পারমাণবিক অস্ত্র বিশ্বের সবচেয়ে বিধ্বংসী সামরিক শক্তিগুলোর একটি, যার একটি বিস্ফোরণেই মুহূর্তের মধ্যে ধ্বংস হয়ে যেতে পারে একটি শহর, প্রাণ হারাতে পারেন অসংখ্য মানুষ...

সৌদি আরবকে রক্ষায় সব পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত মিসর, মধ্যপ্রাচ্যে কি নতুন সামরিক সমীকরণ?

সৌদি আরবের নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়লে দেশটিকে রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন মিসরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসি। ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের ধারাবাহিক ক্ষেপণাস্ত্র...

পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতি সম্প্রসারণ বন্ধের দাবি চীনের, ফিলিস্তিন ইস্যুতে কূটনৈতিক চাপ বাড়ছে

অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতি স্থাপন বন্ধ এবং বিদ্যমান সম্প্রসারণের পদক্ষেপ প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়েছে চীন। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই আজারবাইজানে এক বৈঠকে ইসরায়েলের প্রেসিডেন্ট...

বলতে পারেন, বিমানের জানালা সবসময় কেন গোল হয়? পেছনে রয়েছে মর্মান্তিক ইতিহাস

বিমানের জানালা গোল বা ডিম্বাকৃতির হওয়ার পেছনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কারণ হলো নিরাপত্তা। তবে এই নকশার গুরুত্ব প্রকটভাবে সামনে আসে ১৯৫০-এর দশকে, যখন ব্রিটিশ যাত্রীবাহী...

আলবার্টার বিচ্ছিন্নতা ঠেকাতে শেষ মুহূর্তের প্রচারে মার্ক কার্নি, ঐক্য রক্ষায় কানাডায় রাজনৈতিক লড়াই

কানাডা থেকে আলবার্টা আলাদা হওয়ার পথে এগোবে কি না, সেই প্রশ্নে গুরুত্বপূর্ণ গণভোটের আগে প্রদেশটির ভোটারদের উদ্দেশে শেষ মুহূর্তের আবেদন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি।...

আফগানিস্তানের সঙ্গে নিঃশর্ত আলোচনায় রাজি নয় পাকিস্তান, সন্ত্রাস দমনে দৃশ্যমান পদক্ষেপের দাবি

আফগানিস্তানের তালেবান সরকারের সঙ্গে আলোচনায় বসতে পাকিস্তান প্রস্তুত থাকলেও কোনো শর্ত ছাড়াই সংলাপে রাজি নয় ইসলামাবাদ। পাকিস্তানের বক্তব্য, আফগান ভূখণ্ড থেকে সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর হামলা...

মালয়েশিয়া সফরে মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট, জান্তার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি ও আসিয়ান কূটনীতি নিয়ে নতুন আলোচনা

মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট মিন অং হ্লাইংয়ের মালয়েশিয়া সফর দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার কূটনীতিতে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ২০২১ সালের সামরিক অভ্যুত্থানের পর থেকে মিয়ানমারের রাজনৈতিক সংকট,...

৩ বিলুপ্তপ্রায় বন্যপ্রাণীর সফল প্রত্যাবর্তন, ২০২৬ সালে প্রকৃতি সংরক্ষণে বিশাল সাফল্য

দীর্ঘদিনের সংরক্ষণ প্রচেষ্টা, বৈজ্ঞানিক গবেষণা এবং স্থানীয় মানুষের অংশগ্রহণে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে হারিয়ে যেতে বসা বন্যপ্রাণীদের ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি দেখা যাচ্ছে। কাজাখস্তানের...

কঙ্গোর বিদ্রোহী জোটের নেতৃত্বে সাবেক প্রেসিডেন্ট কাবিলা, সংঘাতের সমীকরণে বড় পরিবর্তন

আফ্রিকার দেশ গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে দীর্ঘদিনের সংঘাত নতুন রাজনৈতিক মোড় নিয়েছে। দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট জোসেফ কাবিলা পূর্বাঞ্চলে সক্রিয় বিদ্রোহী জোটের নেতৃত্ব গ্রহণ করেছেন। রুয়ান্ডা-সমর্থিত...

মিলেই সরকারের ব্যয় সংকোচনের বিরুদ্ধে আর্জেন্টিনায় শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, বিশ্ববিদ্যালয় অর্থায়ন নিয়ে উত্তেজনা

আর্জেন্টিনায় প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলেই সরকারের ব্যয় সংকোচন নীতির বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও কর্মীদের বিক্ষোভ নতুন করে তীব্র হয়েছে। দেশটির বিভিন্ন শহরে সমাবেশ ও...

জ্বালানি সংকট, চীনের প্রতিযোগিতা ও ইউক্রেন যুদ্ধ—তিন চাপে ইউরোপের অর্থনীতি কতটা বিপর্যস্ত?

ইউরোপের অর্থনীতি এখন এমন এক সময় পার করছে, যখন জ্বালানির বাড়তি ব্যয়, চীনের শিল্প ও প্রযুক্তিগত প্রতিযোগিতা এবং ইউক্রেন যুদ্ধের দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব একসঙ্গে চাপ...

আরও পড়ুন

সৌদি আরবের আকাশ প্রতিরক্ষায় ফাঁক কোথায়? হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনে বাড়ছে নিরাপত্তা উদ্বেগ

ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের ধারাবাহিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা সৌদি আরবের আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থার সক্ষমতা নিয়ে নতুন প্রশ্ন তৈরি করেছে। উন্নত রাডার, ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধী ব্যবস্থা এবং...

যন্তর মন্তর: জ্যোতির্বিদ্যার পর্যবেক্ষণাগার থেকে ভারতের গণআন্দোলনের প্রতীক, বদলে যাচ্ছে প্রতিবাদের ঠিকানা

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির যন্তর মন্তর দীর্ঘদিন ধরে প্রতিবাদ, অনশন ও নাগরিক আন্দোলনের পরিচিত ঠিকানা। দুর্নীতিবিরোধী আন্দোলন থেকে শুরু করে কৃষকের দাবি, নারীর নিরাপত্তা, ক্রীড়াবিদদের...

তাইওয়ান উত্তেজনার মধ্যে ফিলিপাইনকে কড়া বার্তা চীনের, দক্ষিণ চীন সাগরে বাড়ছে সংঘাতের ঝুঁকি

দক্ষিণ চীন সাগরে চীন ও ফিলিপাইনের মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধ নতুন করে উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে উঠেছে। সাম্প্রতিক সময়ে চীনা কূটনীতিকের মন্তব্যকে ফিলিপাইন সম্ভাব্য শক্তি প্রয়োগের হুমকি...

ইন্দোনেশিয়ার দাবানলে বিষাক্ত ধোঁয়ায় বিপর্যস্ত দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত প্রায় ২ লাখ ৮৩ হাজার

ইন্দোনেশিয়ার বন ও ভূমিতে ছড়িয়ে পড়া দাবানলের ধোঁয়ায় দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে জনস্বাস্থ্য সংকট তৈরি হয়েছে। ধোঁয়া ও বায়ুদূষণের কারণে প্রায় ২ লাখ ৮৩...

ব্রাজিলের নির্বাচনে ফ্লাভিও বলসোনারোর পাশে একের পর এক দল, বিরোধী জোটে বাড়ছে সমর্থন

ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনকে ঘিরে রাজনৈতিক মেরুকরণ আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। দ্বিতীয় দফার ভোট সামনে রেখে সাবেক প্রেসিডেন্ট জাইর বলসোনারোর ছেলে ও ডানপন্থী প্রার্থী ফ্লাভিও...

জাপানের বিরুদ্ধে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ অস্বীকার, রাশিয়ায় সাংবাদিক গ্রেপ্তার ঘিরে কূটনৈতিক উত্তেজনা

রাশিয়ায় জাপানি সাংবাদিক ইউকি ইমাইকে গুপ্তচরবৃত্তির সন্দেহে আটক করার পর দুই দেশের মধ্যে নতুন কূটনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। মস্কোর অভিযোগ, সাংবাদিকটি রাশিয়ার প্রতিরক্ষা সক্ষমতা...

আঙুলের নখের চেয়েও ছোট্ট ব্যাঙের সন্ধান! ৭ মিলিমিটারের ক্ষুদ্রতম প্রজাতি দেখে বিষ্মিত বিজ্ঞানীরাও

ব্রাজিলের ঘন চিরসবুজ বনে পাতার স্তূপের নিচে লুকিয়ে রয়েছে এমন এক ব্যাঙ, যার দৈর্ঘ্য একটি ছোট পিঁপড়ার চেয়ে সামান্যই বেশি। পূর্ণবয়স্ক অবস্থায় এর দৈর্ঘ্য...

প্রবাল বাঁচাতে সমুদ্রের তলদেশে বাজানো হচ্ছে ‘ঘুমপাড়ানি গান’, ফিরছেও মাছ ও সামুদ্রিক প্রাণী

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সমুদ্রের তাপমাত্রা বাড়ছে, বাড়ছে প্রবালের বিবর্ণ হয়ে যাওয়ার ঝুঁকিও। বিশ্বের বহু অঞ্চলে প্রবাল প্রাচীর ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় বিপন্ন হয়ে পড়ছে অসংখ্য সামুদ্রিক...