জানেন, চীনের মহাপ্রাচীর নির্মাণে কত বছর লেগেছিল? আর কেনইবা বানাতে হয়েছিল পৃথিবীর দীর্ঘতম এই দেয়াল?

সংবাদটি শেয়ার করুন

পাহাড়ের চূড়া বেয়ে, উপত্যকা পেরিয়ে, মরুভূমির বুক চিরে হাজার হাজার কিলোমিটার দূর পর্যন্ত বিস্তৃত এক বিশাল দেয়াল—চীনের মহাপ্রাচীর। পৃথিবীর অন্যতম বিস্ময়কর এই স্থাপনা দেখে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন জাগে, এত বড় দেয়াল তৈরি করতে কত সময় লেগেছিল? কেনইবা প্রাচীন শাসকেরা এমন বিশাল নির্মাণকাজে বিপুল শ্রম, অর্থ ও সম্পদ ব্যয় করেছিলেন?

এর উত্তর হলো, চীনের মহাপ্রাচীর কোনো এক সম্রাটের আমলে একবারে তৈরি হয়নি। বিভিন্ন রাজ্য ও সাম্রাজ্যের শাসকেরা প্রায় আড়াই হাজার বছর ধরে এর বিভিন্ন অংশ নির্মাণ, সম্প্রসারণ ও সংস্কার করেছেন। তাই এর নির্মাণকাল কয়েক বছর বা কয়েক দশকে সীমাবদ্ধ নয়; বরং বহু শতাব্দীজুড়ে বিস্তৃত এক দীর্ঘ ইতিহাস।

প্রাচীর নির্মাণের শুরু কীভাবে?

আজকের চীন একক রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার বহু আগেই অঞ্চলটিতে একাধিক রাজ্য ও শাসকগোষ্ঠীর অস্তিত্ব ছিল। নিজেদের ভূখণ্ড রক্ষা এবং প্রতিবেশী রাজ্যের আক্রমণ ঠেকাতে তারা সীমান্তে প্রতিরক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলত। এসব ব্যবস্থার মধ্যে ছিল মাটির দেয়াল, প্রহরী টাওয়ার এবং সংকেত পাঠানোর জন্য উঁচু পর্যবেক্ষণকেন্দ্র।

খ্রিষ্টপূর্ব সপ্তম শতাব্দী থেকে বিভিন্ন অঞ্চলে দেয়াল নির্মাণের প্রমাণ পাওয়া যায়। তখনকার দেয়ালগুলো আজকের মতো ইট-পাথরে তৈরি ছিল না। অনেক ক্ষেত্রে মাটি, নুড়িপাথর ও অন্যান্য স্থানীয় উপকরণ স্তরে স্তরে চেপে শক্ত করে দেয়াল বানানো হতো।

পরবর্তী সময়ে উত্তর দিকের যাযাবর গোষ্ঠীর আক্রমণ ঠেকানো এবং সীমান্তের গুরুত্বপূর্ণ পথ নিয়ন্ত্রণের প্রয়োজন বাড়ে। ফলে বিভিন্ন রাজ্য নিজেদের প্রতিরক্ষাব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করতে থাকে।

সম্রাট চিন শি হুয়াংয়ের বড় পরিকল্পনা

খ্রিষ্টপূর্ব ২২১ সালে চিন রাজ্যের শাসক চিন শি হুয়াং প্রতিদ্বন্দ্বী রাজ্যগুলোকে পরাজিত করে চীনের বড় অংশকে একক শাসনের অধীনে আনেন। তিনি ইতিহাসে চীনের প্রথম সম্রাট হিসেবে পরিচিত।

নতুন সাম্রাজ্যের উত্তর সীমান্তকে সুরক্ষিত করতে তিনি আগের রাজ্যগুলোর তৈরি দেয়ালের বিভিন্ন অংশ যুক্ত ও সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেন। এর ফলে বিচ্ছিন্ন প্রতিরক্ষা দেয়ালগুলো ধীরে ধীরে বৃহত্তর প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার অংশ হয়ে ওঠে।

তবে এই কাজেই পুরো মহাপ্রাচীর তৈরি হয়ে যায়নি। চিন সাম্রাজ্যের পর হানসহ বিভিন্ন রাজবংশ নিজেদের প্রয়োজন অনুযায়ী নতুন অংশ নির্মাণ করে এবং পুরোনো দেয়াল মেরামত করে। অর্থাৎ, মহাপ্রাচীরের ইতিহাস মূলত ধারাবাহিক নির্মাণ ও পুনর্নির্মাণের ইতিহাস।

আড়াই হাজার বছর, কিন্তু একটানা নয়

মহাপ্রাচীর নির্মাণে ঠিক কত বছর লেগেছিল—এর কোনো একক উত্তর নেই। কারণ বিভিন্ন সময়ে আলাদা আলাদা অংশ তৈরি হয়েছে, আবার অনেক অংশ ধ্বংস হয়েছে বা প্রকৃতির কারণে ক্ষয়ে গেছে।

চিন সাম্রাজ্যের সময়ে দেয়ালের বিভিন্ন অংশ যুক্ত ও সম্প্রসারণের বড় কাজ প্রায় এক দশক ধরে চলেছিল বলে ধারণা করা হয়। কিন্তু পুরো প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার নির্মাণ ও উন্নয়ন কয়েক হাজার বছর ধরে চলেছে। পরবর্তী রাজবংশগুলোও নিজেদের সামরিক প্রয়োজন অনুসারে নতুন দেয়াল তৈরি করেছে।

আজ পর্যটকেরা যে ইট-পাথরের সুপরিচিত মহাপ্রাচীর দেখেন, তার বড় অংশ মিং রাজবংশের আমলে নির্মিত বা পুনর্নির্মিত। ১৩৬৮ থেকে ১৬৪৪ সাল পর্যন্ত মিং শাসকেরা উত্তর সীমান্তের প্রতিরক্ষা জোরদার করতে ব্যাপক কাজ করেন। তাই বর্তমান মহাপ্রাচীরের অনেক বিখ্যাত অংশ প্রায় ৬০০ বছরের পুরোনো।

কেন প্রয়োজন হয়েছিল এত বড় দেয়ালের?

মহাপ্রাচীরের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল সীমান্ত প্রতিরক্ষা। উত্তর দিক থেকে আসা আক্রমণকারী বাহিনীর চলাচল নজরদারি করা, গুরুত্বপূর্ণ গিরিপথ নিয়ন্ত্রণ এবং সেনাদের দ্রুত সতর্ক করার জন্য এটি কাজে লাগানো হতো।

প্রাচীরের বিভিন্ন স্থানে নির্মিত পর্যবেক্ষণ টাওয়ার থেকে দূরের গতিবিধি দেখা যেত। বিপদের সংকেত জানাতে আগুন ও ধোঁয়া ব্যবহার করা হতো। ফলে সীমান্তের এক অংশে শত্রুর উপস্থিতি দেখা গেলে অন্য অংশেও দ্রুত খবর পাঠানো সম্ভব হতো।

এ ছাড়া প্রাচীরের গেট ও গিরিপথ দিয়ে মানুষের চলাচল, বাণিজ্য এবং সীমান্তের বিভিন্ন কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করা যেত। অর্থাৎ, এটি শুধু একটি দেয়াল ছিল না; বরং দুর্গ, প্রহরী টাওয়ার, চলাচলের পথ ও সামরিক ঘাঁটি মিলিয়ে গড়ে ওঠা বিশাল প্রতিরক্ষা নেটওয়ার্ক।

তবে মহাপ্রাচীর কখনোই সব আক্রমণ ঠেকাতে পারেনি। শত্রুপক্ষ বিভিন্ন সময়ে অন্য পথ ব্যবহার করেছে, আবার রাজনৈতিক জোট ও অভ্যন্তরীণ দুর্বলতার সুযোগেও সীমান্ত অতিক্রম করেছে।

এত মানুষের শ্রমে গড়ে উঠেছিল বিস্ময়

মহাপ্রাচীর নির্মাণে সৈন্য, সাধারণ শ্রমিক, কারিগর এবং বাধ্যতামূলক শ্রমে নিয়োজিত মানুষ অংশ নিয়েছিলেন। দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় ভারী উপকরণ বহন, মাটি খনন এবং পাথর বসানোর কাজ ছিল অত্যন্ত কঠিন। দুর্গম পরিবেশ, আবহাওয়া ও খাদ্যসংকট শ্রমিকদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি করত।

আজ চীনের মহাপ্রাচীর শুধু সামরিক স্থাপনা নয়; এটি দেশটির ইতিহাস, সংস্কৃতি ও স্থাপত্যদক্ষতার প্রতীক। ইউনেসকোর বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় থাকা এই স্থাপনা দেখিয়ে দেয়, কীভাবে বিভিন্ন যুগের শাসকেরা একই প্রতিরক্ষা ধারণাকে নিজেদের প্রয়োজন অনুযায়ী বদলে নিয়েছেন।

মহাপ্রাচীরের সবচেয়ে বড় বিস্ময় তাই শুধু এর দৈর্ঘ্য নয়। বরং বহু শতাব্দী ধরে বিভিন্ন প্রজন্মের মানুষের শ্রম, পরিকল্পনা ও প্রযুক্তির সমন্বয়ে তৈরি হওয়া এই স্থাপনা মানবসভ্যতার দীর্ঘ ইতিহাসের এক অনন্য সাক্ষী।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের অন্যান্য

পিরামিডের ভেতরে রহস্যে মোড়া সম্রাট তুতেনখামেনের কবর থেকে শেষ পর্যন্ত কি কি পাওয়া গিয়েছিল?

প্রাচীন মিসরের এক তরুণ ফারাওয়ের সমাধি খুলতেই প্রত্নতাত্ত্বিকদের সামনে উন্মোচিত হয়েছিল হাজার হাজার বছরের ইতিহাস। সোনার মুখোশ, অলংকার, রথ, রাজসিংহাসন, মূল্যবান আসবাব, অস্ত্র এবং...

পেরুর মরুভূমিতে দানবাকৃতির নতুন ‘নাজকা লাইনস’ আবিষ্কার! রহস্য উন্মোচনে এআই আর ড্রোন

দক্ষিণ আমেরিকার দেশ পেরুর নাজকা মরুভূমিতে প্রাচীন মানুষের আঁকা রহস্যময় ভূনকশা নিয়ে নতুন করে আগ্রহ তৈরি হয়েছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), আকাশ থেকে তোলা উচ্চ-রেজল্যুশনের...

আরও পড়ুন

রুশ ডিজেল বিক্রিতে ছাড় দিলেন ট্রাম্প, জ্বালানির দাম কমানোর উদ্যোগে যুক্তরাষ্ট্রে তীব্র বিতর্ক

যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানির দাম নিয়ন্ত্রণে রাশিয়ার ডিজেল সরবরাহ বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে সমঝোতার কথা জানিয়ে ট্রাম্প বলেছেন, আন্তর্জাতিক...

আজারবাইজানে স্কুলে হিজাব নিয়ে নজিরবিহীন বিক্ষোভ, ধর্মীয় স্বাধীনতা বনাম রাষ্ট্রের ধর্মনিরপেক্ষ নীতি

মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ আজারবাইজানে স্কুলে হিজাব পরা নিয়ে নতুন পোশাকবিধির প্রয়োগ ঘিরে দেশজুড়ে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। ধর্মীয় পোশাক পরার কারণে ছাত্রীদের শ্রেণিকক্ষে প্রবেশে বাধা দেওয়ার...

আলবেনিয়ায় শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আগুন, দুর্নীতি ও ব্যয়বৃদ্ধিতে উত্তাল তিরানা

আলবেনিয়ার রাজধানী তিরানায় শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ সহিংসতায় রূপ নেওয়ায় দেশটির রাজনৈতিক পরিস্থিতি নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যয়, শিক্ষার পরিবেশ, তরুণদের কর্মসংস্থানের অনিশ্চয়তা এবং...

বলতে পারেন, কোন দেশের কাছে কত পারমাণবিক বোমা আছে? সংখ্যা শুনলে অবাক হবেন!

পারমাণবিক অস্ত্র বিশ্বের সবচেয়ে বিধ্বংসী সামরিক শক্তিগুলোর একটি, যার একটি বিস্ফোরণেই মুহূর্তের মধ্যে ধ্বংস হয়ে যেতে পারে একটি শহর, প্রাণ হারাতে পারেন অসংখ্য মানুষ...

সৌদি আরবকে রক্ষায় সব পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত মিসর, মধ্যপ্রাচ্যে কি নতুন সামরিক সমীকরণ?

সৌদি আরবের নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়লে দেশটিকে রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন মিসরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসি। ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের ধারাবাহিক ক্ষেপণাস্ত্র...

পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতি সম্প্রসারণ বন্ধের দাবি চীনের, ফিলিস্তিন ইস্যুতে কূটনৈতিক চাপ বাড়ছে

অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতি স্থাপন বন্ধ এবং বিদ্যমান সম্প্রসারণের পদক্ষেপ প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়েছে চীন। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই আজারবাইজানে এক বৈঠকে ইসরায়েলের প্রেসিডেন্ট...

বলতে পারেন, বিমানের জানালা সবসময় কেন গোল হয়? পেছনে রয়েছে মর্মান্তিক ইতিহাস

বিমানের জানালা গোল বা ডিম্বাকৃতির হওয়ার পেছনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কারণ হলো নিরাপত্তা। তবে এই নকশার গুরুত্ব প্রকটভাবে সামনে আসে ১৯৫০-এর দশকে, যখন ব্রিটিশ যাত্রীবাহী...

আলবার্টার বিচ্ছিন্নতা ঠেকাতে শেষ মুহূর্তের প্রচারে মার্ক কার্নি, ঐক্য রক্ষায় কানাডায় রাজনৈতিক লড়াই

কানাডা থেকে আলবার্টা আলাদা হওয়ার পথে এগোবে কি না, সেই প্রশ্নে গুরুত্বপূর্ণ গণভোটের আগে প্রদেশটির ভোটারদের উদ্দেশে শেষ মুহূর্তের আবেদন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি।...

আফগানিস্তানের সঙ্গে নিঃশর্ত আলোচনায় রাজি নয় পাকিস্তান, সন্ত্রাস দমনে দৃশ্যমান পদক্ষেপের দাবি

আফগানিস্তানের তালেবান সরকারের সঙ্গে আলোচনায় বসতে পাকিস্তান প্রস্তুত থাকলেও কোনো শর্ত ছাড়াই সংলাপে রাজি নয় ইসলামাবাদ। পাকিস্তানের বক্তব্য, আফগান ভূখণ্ড থেকে সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর হামলা...

মালয়েশিয়া সফরে মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট, জান্তার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি ও আসিয়ান কূটনীতি নিয়ে নতুন আলোচনা

মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট মিন অং হ্লাইংয়ের মালয়েশিয়া সফর দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার কূটনীতিতে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ২০২১ সালের সামরিক অভ্যুত্থানের পর থেকে মিয়ানমারের রাজনৈতিক সংকট,...

৩ বিলুপ্তপ্রায় বন্যপ্রাণীর সফল প্রত্যাবর্তন, ২০২৬ সালে প্রকৃতি সংরক্ষণে বিশাল সাফল্য

দীর্ঘদিনের সংরক্ষণ প্রচেষ্টা, বৈজ্ঞানিক গবেষণা এবং স্থানীয় মানুষের অংশগ্রহণে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে হারিয়ে যেতে বসা বন্যপ্রাণীদের ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি দেখা যাচ্ছে। কাজাখস্তানের...

কঙ্গোর বিদ্রোহী জোটের নেতৃত্বে সাবেক প্রেসিডেন্ট কাবিলা, সংঘাতের সমীকরণে বড় পরিবর্তন

আফ্রিকার দেশ গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে দীর্ঘদিনের সংঘাত নতুন রাজনৈতিক মোড় নিয়েছে। দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট জোসেফ কাবিলা পূর্বাঞ্চলে সক্রিয় বিদ্রোহী জোটের নেতৃত্ব গ্রহণ করেছেন। রুয়ান্ডা-সমর্থিত...

মিলেই সরকারের ব্যয় সংকোচনের বিরুদ্ধে আর্জেন্টিনায় শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, বিশ্ববিদ্যালয় অর্থায়ন নিয়ে উত্তেজনা

আর্জেন্টিনায় প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলেই সরকারের ব্যয় সংকোচন নীতির বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও কর্মীদের বিক্ষোভ নতুন করে তীব্র হয়েছে। দেশটির বিভিন্ন শহরে সমাবেশ ও...

জ্বালানি সংকট, চীনের প্রতিযোগিতা ও ইউক্রেন যুদ্ধ—তিন চাপে ইউরোপের অর্থনীতি কতটা বিপর্যস্ত?

ইউরোপের অর্থনীতি এখন এমন এক সময় পার করছে, যখন জ্বালানির বাড়তি ব্যয়, চীনের শিল্প ও প্রযুক্তিগত প্রতিযোগিতা এবং ইউক্রেন যুদ্ধের দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব একসঙ্গে চাপ...

আরও পড়ুন

সৌদি আরবের আকাশ প্রতিরক্ষায় ফাঁক কোথায়? হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনে বাড়ছে নিরাপত্তা উদ্বেগ

ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের ধারাবাহিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা সৌদি আরবের আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থার সক্ষমতা নিয়ে নতুন প্রশ্ন তৈরি করেছে। উন্নত রাডার, ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধী ব্যবস্থা এবং...

যন্তর মন্তর: জ্যোতির্বিদ্যার পর্যবেক্ষণাগার থেকে ভারতের গণআন্দোলনের প্রতীক, বদলে যাচ্ছে প্রতিবাদের ঠিকানা

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির যন্তর মন্তর দীর্ঘদিন ধরে প্রতিবাদ, অনশন ও নাগরিক আন্দোলনের পরিচিত ঠিকানা। দুর্নীতিবিরোধী আন্দোলন থেকে শুরু করে কৃষকের দাবি, নারীর নিরাপত্তা, ক্রীড়াবিদদের...

তাইওয়ান উত্তেজনার মধ্যে ফিলিপাইনকে কড়া বার্তা চীনের, দক্ষিণ চীন সাগরে বাড়ছে সংঘাতের ঝুঁকি

দক্ষিণ চীন সাগরে চীন ও ফিলিপাইনের মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধ নতুন করে উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে উঠেছে। সাম্প্রতিক সময়ে চীনা কূটনীতিকের মন্তব্যকে ফিলিপাইন সম্ভাব্য শক্তি প্রয়োগের হুমকি...

ইন্দোনেশিয়ার দাবানলে বিষাক্ত ধোঁয়ায় বিপর্যস্ত দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত প্রায় ২ লাখ ৮৩ হাজার

ইন্দোনেশিয়ার বন ও ভূমিতে ছড়িয়ে পড়া দাবানলের ধোঁয়ায় দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে জনস্বাস্থ্য সংকট তৈরি হয়েছে। ধোঁয়া ও বায়ুদূষণের কারণে প্রায় ২ লাখ ৮৩...

ব্রাজিলের নির্বাচনে ফ্লাভিও বলসোনারোর পাশে একের পর এক দল, বিরোধী জোটে বাড়ছে সমর্থন

ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনকে ঘিরে রাজনৈতিক মেরুকরণ আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। দ্বিতীয় দফার ভোট সামনে রেখে সাবেক প্রেসিডেন্ট জাইর বলসোনারোর ছেলে ও ডানপন্থী প্রার্থী ফ্লাভিও...

জাপানের বিরুদ্ধে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ অস্বীকার, রাশিয়ায় সাংবাদিক গ্রেপ্তার ঘিরে কূটনৈতিক উত্তেজনা

রাশিয়ায় জাপানি সাংবাদিক ইউকি ইমাইকে গুপ্তচরবৃত্তির সন্দেহে আটক করার পর দুই দেশের মধ্যে নতুন কূটনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। মস্কোর অভিযোগ, সাংবাদিকটি রাশিয়ার প্রতিরক্ষা সক্ষমতা...

আঙুলের নখের চেয়েও ছোট্ট ব্যাঙের সন্ধান! ৭ মিলিমিটারের ক্ষুদ্রতম প্রজাতি দেখে বিষ্মিত বিজ্ঞানীরাও

ব্রাজিলের ঘন চিরসবুজ বনে পাতার স্তূপের নিচে লুকিয়ে রয়েছে এমন এক ব্যাঙ, যার দৈর্ঘ্য একটি ছোট পিঁপড়ার চেয়ে সামান্যই বেশি। পূর্ণবয়স্ক অবস্থায় এর দৈর্ঘ্য...

প্রবাল বাঁচাতে সমুদ্রের তলদেশে বাজানো হচ্ছে ‘ঘুমপাড়ানি গান’, ফিরছেও মাছ ও সামুদ্রিক প্রাণী

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সমুদ্রের তাপমাত্রা বাড়ছে, বাড়ছে প্রবালের বিবর্ণ হয়ে যাওয়ার ঝুঁকিও। বিশ্বের বহু অঞ্চলে প্রবাল প্রাচীর ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় বিপন্ন হয়ে পড়ছে অসংখ্য সামুদ্রিক...