যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে বড় ধরনের ক্ষমতার পালাবদল ঘটেছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বাধীন রিপাবলিকান পার্টিকে বড় ধাক্কা দিয়ে কংগ্রেসের উভয় কক্ষের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিয়েছে ডেমোক্র্যাটরা। ২০২৬ সালের ৩ নভেম্বর অনুষ্ঠিত মধ্যবর্তী নির্বাচনে প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেট—দুই জায়গাতেই সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারিয়েছে ক্ষমতাসীন দল। টেক্সাস, কানসাস, ওহাইও, আইওয়া, সাউথ ক্যারোলাইনা ও মেইনের মতো রিপাবলিকানদের শক্ত ঘাঁটিতে ডেমোক্র্যাটদের সাফল্য নির্বাচনের ফলাফলকে আরও তাৎপর্যপূর্ণ করে তুলেছে।
নির্বাচনের এই ফলাফলকে ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের জন্য বড় রাজনৈতিক ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে। কারণ, ২০২৪ সালের নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর রিপাবলিকানরা প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেট—উভয় কক্ষের নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখেছিল। ফলে আইন প্রণয়ন, বাজেট অনুমোদন এবং প্রশাসনিক নিয়োগের ক্ষেত্রে ট্রাম্প তুলনামূলকভাবে সুবিধাজনক অবস্থানে ছিলেন। কিন্তু মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফলাফল সেই পরিস্থিতি পাল্টে দিয়েছে। নতুন কংগ্রেসের অধিবেশন শুরু হলে হোয়াইট হাউস ও কংগ্রেসের মধ্যে ক্ষমতার ভারসাম্য সম্পূর্ণ ভিন্ন হয়ে যাবে।
প্রতিনিধি পরিষদে কে কতটি আসন পেল?
যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদের মোট আসন ৪৩৫টি। প্রতিটি আসনে দুই বছর মেয়াদে একজন করে প্রতিনিধি নির্বাচিত হন। এবারের নির্বাচনে সব ৪৩৫টি আসনেই ভোট গ্রহণ করা হয়েছে।
এখন পর্যন্ত পাওয়া ফলাফল অনুযায়ী, ডেমোক্র্যাটরা নিশ্চিতভাবে ২২৮টি আসনে জয় পেয়েছে। আরও ৩৪টি আসনে দলটির প্রার্থীরা এগিয়ে রয়েছেন। অন্যদিকে রিপাবলিকানরা ১৭৭টিরও কম আসনে জয় নিশ্চিত করতে পেরেছে বলে প্রাথমিক হিসাব ও আসনভিত্তিক ফলাফলে দেখা যাচ্ছে। বেশ কয়েকটি আসনে ভোট গণনা ও ফলাফল ঘোষণা তখনো চলছিল।
২০২৪ সালের নির্বাচনে প্রতিনিধি পরিষদে রিপাবলিকানরা ২২০টি এবং ডেমোক্র্যাটরা ২১৫টি আসন পেয়েছিল। বাকি আসনগুলোতে অন্যান্য সদস্য ও শূন্য আসনের কারণে সংখ্যার হিসাব ভিন্ন ছিল। এবার ডেমোক্র্যাটরা রিপাবলিকানদের কাছ থেকে অন্তত ২৫টি আসন নিজেদের দখলে নিয়েছে। প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত ২০টি গুরুত্বপূর্ণ আসনের সবগুলোতেই ডেমোক্র্যাটদের জয় দলটির সাফল্যকে আরও শক্তিশালী করেছে।
সব আসনের চূড়ান্ত গণনা শেষ না হলেও প্রতিনিধি পরিষদে ডেমোক্র্যাটদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিত হয়েছে। প্রাথমিক পূর্বাভাস অনুযায়ী, দলটির আসনসংখ্যা ২৬০ ছাড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছে। এমনটি হলে ১৯৯০ সালের পর প্রতিনিধি পরিষদে ডেমোক্র্যাটদের সবচেয়ে শক্তিশালী অবস্থান তৈরি হতে পারে।
সিনেটে আসনসংখ্যার চিত্র কী?
কংগ্রেসের উচ্চকক্ষ সিনেটের মোট সদস্য ১০০ জন। প্রতিটি অঙ্গরাজ্য থেকে জনসংখ্যা নির্বিশেষে দুজন করে সিনেটর নির্বাচিত হন। এবারের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ৩৫টি সিনেট আসনে ভোট হয়েছে। এর মধ্যে নিয়মিত নির্বাচনের পাশাপাশি বিশেষ নির্বাচনও অন্তর্ভুক্ত ছিল।
এখন পর্যন্ত প্রকাশিত ফলাফল অনুযায়ী, ডেমোক্র্যাটরা নিশ্চিতভাবে ৫৪টি আসন পেয়েছে এবং আরও একটি আসনে এগিয়ে রয়েছে। অন্যদিকে রিপাবলিকানরা নিশ্চিতভাবে ৪৪টি আসন পেয়েছে এবং আরও একটি আসনে এগিয়ে রয়েছে। বাকি আসনের চূড়ান্ত ফলাফল তখনো নিষ্পত্তির অপেক্ষায় ছিল।
সিনেটে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে সাধারণত ৫১টি আসন প্রয়োজন। তবে ৫০-৫০ সমতা হলে ভাইস প্রেসিডেন্টের ভোটের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ থাকে। এবার ডেমোক্র্যাটদের নিশ্চিত আসনসংখ্যা সেই প্রয়োজনীয় সীমা অতিক্রম করেছে।
২০২৪ সালের নির্বাচনের পর সিনেটে রিপাবলিকানদের আসন ছিল ৫৩টি। ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে ককাস করা স্বতন্ত্র সদস্যদের নিয়ে বিরোধী শিবিরের আসন ছিল ৪৭টি। অর্থাৎ, এবারের নির্বাচনে রিপাবলিকানদের কাছ থেকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ আসন ছিনিয়ে নিয়ে সিনেটের নিয়ন্ত্রণও পুনরুদ্ধার করেছে ডেমোক্র্যাটরা।
যেসব অঙ্গরাজ্যে রিপাবলিকানদের বড় পরাজয়
এবারের নির্বাচনে সবচেয়ে আলোচিত বিষয় ছিল ঐতিহ্যগতভাবে রিপাবলিকানদের শক্তিশালী কয়েকটি অঙ্গরাজ্যে ডেমোক্র্যাটদের জয়। বিশেষ করে সিনেটের সাতটি গুরুত্বপূর্ণ আসনের ফলাফল জাতীয় রাজনীতির ক্ষমতার সমীকরণ বদলে দিয়েছে।
উল্লেখযোগ্য ফলাফলগুলো হলো:
- টেক্সাস: ডেমোক্র্যাট জেমস টালারিকো রিপাবলিকান কেন প্যাক্সটনকে পরাজিত করেছেন। ১৯৮৮ সালের পর প্রথমবারের মতো টেক্সাস থেকে ডেমোক্র্যাট সিনেটর নির্বাচিত হয়েছেন।
- কানসাস: ডেমোক্র্যাট অ্যাডাম হ্যামিলটন রিপাবলিকান সিনেটর রজার মার্শালকে হারিয়েছেন। ১৯৩২ সালের পর এই প্রথম অঙ্গরাজ্যটি থেকে ডেমোক্র্যাট সিনেটর নির্বাচিত হলেন।
- ওহাইও: ডেমোক্র্যাট শেরড ব্রাউন সিনেট নির্বাচনে জয় পেয়েছেন। অঙ্গরাজ্যটিতে রিপাবলিকানদের শক্ত অবস্থানের মধ্যে এই জয় বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ।
- সাউথ ক্যারোলাইনা: ডেমোক্র্যাট অ্যানি অ্যান্ড্রুজ রিপাবলিকান ডারলিন গ্রাহামকে পরাজিত করেছেন। চলতি শতাব্দীতে এই প্রথম অঙ্গরাজ্যটি থেকে ডেমোক্র্যাট সিনেটর নির্বাচিত হলেন।
- আইওয়া: রিপাবলিকানদের কাছ থেকে সিনেটের আসন ছিনিয়ে নিয়েছে ডেমোক্র্যাটরা।
- মেইন: পাঁচ মেয়াদে দায়িত্ব পালন করা রিপাবলিকান সিনেটর সুসান কলিন্সকে পরাজিত করেছেন ডেমোক্র্যাট ট্রয় জ্যাকসন।
- নর্থ ক্যারোলাইনা: রিপাবলিকান প্রার্থী মাইকেল হোয়াটলিকে হারিয়ে সিনেটের আসনটি ডেমোক্র্যাটদের দখলে এসেছে।
এই সাতটি আসনের পাশাপাশি প্রতিনিধি পরিষদের বিভিন্ন প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ আসনেও ডেমোক্র্যাটদের জয় দলটির সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিত করতে সহায়তা করেছে। বিশেষ করে টেক্সাস ও সাউথ ক্যারোলাইনার মতো অঙ্গরাজ্যে জয় রিপাবলিকানদের জন্য বড় ধাক্কা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
প্রথম মুসলিম সিনেটর নির্বাচিত
এবারের নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের জয়ের পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক ইতিহাসে একাধিক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে। মিশিগান থেকে ডেমোক্র্যাট প্রার্থী আবদুল এল-সায়েদ রিপাবলিকান মাইক রজার্সকে পরাজিত করে দেশটির ইতিহাসে প্রথম মুসলিম সিনেটর নির্বাচিত হয়েছেন।
জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ও মিশিগানের সাবেক জনস্বাস্থ্য বিভাগের পরিচালক এল-সায়েদের এই জয় যুক্তরাষ্ট্রের মুসলিম জনগোষ্ঠীর রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্বের ক্ষেত্রে ঐতিহাসিক ঘটনা। এর আগে মুসলিম রাজনীতিকরা প্রতিনিধি পরিষদসহ বিভিন্ন পর্যায়ে নির্বাচিত হলেও সিনেটে কোনো মুসলিম দায়িত্ব পালন করেননি।
এ ছাড়া ইলিনয় থেকে ডেমোক্র্যাট জুলিয়ানা স্ট্র্যাটনের জয় যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটে একই সময়ে তিনজন কৃষ্ণাঙ্গ নারী সদস্য থাকার পথ তৈরি করেছে। জর্জিয়া থেকে কিশা ল্যান্স বটমস প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ নারী হিসেবে কোনো মার্কিন অঙ্গরাজ্যের গভর্নর নির্বাচিত হয়েছেন। টেক্সাসেও জিনা হিনোজোসা প্রথম লাতিনা নারী গভর্নর হতে যাচ্ছেন।
ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা ও ইরান যুদ্ধের প্রভাব
নির্বাচনে রিপাবলিকানদের পরাজয়ের পেছনে একাধিক কারণ কাজ করেছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা। এর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ছিল অর্থনৈতিক অসন্তোষ, জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি এবং ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ।
ট্রাম্প ২০২৪ সালের নির্বাচনে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় কমানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। কিন্তু ক্ষমতায় ফেরার পর শুল্কনীতি, জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক সংঘাত নিয়ে তার প্রশাসনকে নানা প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়েছে।
বিশেষ করে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের কারণে জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা তৈরি হওয়ায় মার্কিন পরিবারগুলোর ব্যয় বেড়েছে। পেট্রলের দাম বৃদ্ধি এবং যুদ্ধের পেছনে বিপুল অর্থ ব্যয়ের বিষয়টি ভোটারদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি করেছে।
নির্বাচন-পরবর্তী জরিপে দেখা গেছে, প্রায় অর্ধেক ভোটার নির্বাচনকে ট্রাম্পের প্রতি অসন্তোষ প্রকাশের সুযোগ হিসেবে দেখেছেন। প্রায় তিন-চতুর্থাংশ ভোটার দেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে ক্ষুব্ধ অথবা অসন্তুষ্ট ছিলেন। অন্যদিকে ৭০ শতাংশ ভোটার মনে করেছেন, প্রেসিডেন্টের ক্ষমতার ওপর নিয়ন্ত্রণ ও ভারসাম্য প্রতিষ্ঠায় কংগ্রেসের আরও সক্রিয় ভূমিকা থাকা প্রয়োজন।
এসব পরিসংখ্যান থেকে বোঝা যায়, ভোটারদের কাছে শুধু দলীয় পরিচয় নয়, সরকারের কর্মকাণ্ড ও দৈনন্দিন অর্থনৈতিক বাস্তবতাও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছিল।
কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে কী চ্যালেঞ্জে পড়বেন ট্রাম্প?
ডেমোক্র্যাটরা কংগ্রেসের উভয় কক্ষের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ায় ট্রাম্প প্রশাসনের সামনে নতুন রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে। প্রতিনিধি পরিষদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় ডেমোক্র্যাটরা বিভিন্ন সংসদীয় কমিটির নেতৃত্ব দিতে পারবে। এর মাধ্যমে ট্রাম্প প্রশাসনের বিভিন্ন নীতি, সরকারি ব্যয়, সামরিক অভিযান এবং প্রশাসনিক কর্মকাণ্ড নিয়ে তদন্তের সুযোগ পাবে তারা।
অন্যদিকে সিনেটের নিয়ন্ত্রণ পাওয়ায় প্রেসিডেন্টের গুরুত্বপূর্ণ নিয়োগের ক্ষেত্রেও ডেমোক্র্যাটদের প্রভাব বাড়বে। ফেডারেল বিচারক, সরকারি উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা এবং সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্রে সিনেটের অনুমোদন প্রয়োজন। ফলে ট্রাম্পের মনোনীত ব্যক্তিদের অনুমোদন দেওয়া বা আটকে রাখার ক্ষেত্রে ডেমোক্র্যাটরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারবে।
এ ছাড়া বাজেট, করনীতি, অভিবাসন এবং সামরিক ব্যয়সংক্রান্ত আইন পাস করাও ট্রাম্পের জন্য কঠিন হতে পারে। কংগ্রেসে বিরোধী দলের সংখ্যাগরিষ্ঠতার কারণে হোয়াইট হাউসকে অনেক ক্ষেত্রেই সমঝোতার পথে হাঁটতে হবে।
২০২৮ সালের নির্বাচন সামনে রেখে নতুন সমীকরণ
২০২৬ সালের মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফলাফল ২০২৮ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনকে ঘিরেও নতুন রাজনৈতিক হিসাব তৈরি করেছে। ডেমোক্র্যাটরা এখন কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ ব্যবহার করে নিজেদের রাজনৈতিক অবস্থান শক্তিশালী করার সুযোগ পাবে। একই সঙ্গে অর্থনীতি, যুদ্ধ এবং প্রশাসনিক জবাবদিহির মতো বিষয়গুলোতে ট্রাম্পকে চাপে রাখার সুযোগ তৈরি হয়েছে।
অন্যদিকে রিপাবলিকানদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হবে কেন তাদের ঐতিহ্যগত ভোটব্যাংকের একটি অংশ এবার দল থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে, তা খুঁজে বের করা। অর্থনৈতিক অসন্তোষ, প্রার্থীদের বিতর্কিত অবস্থান এবং ট্রাম্পের রাজনৈতিক জনপ্রিয়তা কমে যাওয়ার বিষয়গুলো দলটির ভবিষ্যৎ কৌশল নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।
সব মিলিয়ে ২০২৬ সালের মধ্যবর্তী নির্বাচন যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় তৈরি করেছে। প্রতিনিধি পরিষদে ডেমোক্র্যাটদের ২২৮টি নিশ্চিত জয় এবং সিনেটে ৫৪টি নিশ্চিত আসন তাদের নতুন ক্ষমতার অবস্থান তৈরি করেছে। যদিও কিছু আসনের চূড়ান্ত গণনা তখনো বাকি ছিল, কংগ্রেসের উভয় কক্ষের নিয়ন্ত্রণ হারানো ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য যে বড় রাজনৈতিক ধাক্কা, তা স্পষ্ট। আগামী দুই বছর ওয়াশিংটনে হোয়াইট হাউস ও কংগ্রেসের মধ্যে ক্ষমতার টানাপোড়েন যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক নীতিতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।
