আগামী এপ্রিলে খাদ্যসংকটে পড়তে পারে ১ কোটি ৯২ লাখ আফগান, ভয়াবহ দুর্ভিক্ষের আশঙ্কা জাতিসংঘের

সংবাদটি শেয়ার করুন

আফগানিস্তানে খাদ্যসংকট আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে বলে সতর্ক করেছে জাতিসংঘ। চলতি শীতকাল থেকে আগামী বছরের এপ্রিল পর্যন্ত দেশটির প্রায় ১ কোটি ৯২ লাখ মানুষ তীব্র খাদ্য অনিরাপত্তার মুখে পড়তে পারে। অর্থাৎ দেশটির মোট জনসংখ্যার প্রায় ৩৮ শতাংশের নিয়মিত খাবার জোগাড় করা কঠিন হয়ে উঠবে। পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক করে তুলেছে প্রায় ৫০ লাখ মানুষের জরুরি পর্যায়ের ক্ষুধার ঝুঁকি। তাদের জন্য দ্রুত খাদ্যসহায়তা ও কৃষি সহায়তা নিশ্চিত করা না গেলে জীবনহানি এবং জীবিকা হারানোর আশঙ্কা রয়েছে।

আফগানিস্তানে খাদ্যসংকট নতুন নয়। তবে উচ্চ খাদ্যদাম, পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধি, কর্মসংস্থানের অভাব এবং আন্তর্জাতিক মানবিক সহায়তা কমে যাওয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে। দেশটিতে বহু পরিবার আয় হারিয়েছে, আবার যাদের আয় রয়েছে, তাদের অনেকের পক্ষেও প্রয়োজনীয় খাবার কেনা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে কৃষি উৎপাদন কিছুটা ভালো হলেও সাধারণ মানুষের খাদ্যপ্রাপ্তি নিশ্চিত হচ্ছে না।

কেন বাড়ছে খাদ্যসংকট

আফগানিস্তানে খাদ্য অনিরাপত্তা বাড়ার পেছনে একাধিক কারণ কাজ করছে। প্রথমত, দেশটিতে কর্মসংস্থানের সুযোগ সীমিত। অনেক পরিবার নিয়মিত আয় করতে পারছে না। দ্বিতীয়ত, খাদ্য ও পরিবহন ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় বাজারে পণ্য থাকলেও দরিদ্র পরিবারগুলোর পক্ষে তা কেনা কঠিন হয়ে পড়েছে।

এ ছাড়া প্রতিবেশী দেশগুলো থেকে বিপুলসংখ্যক আফগান নাগরিকের ফিরে আসাও পরিস্থিতির ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করেছে। সাম্প্রতিক সময়ে ১২ লাখের বেশি আফগান দেশে ফিরেছেন। তাদের অনেকেরই স্থায়ী বাসস্থান, কাজ কিংবা পর্যাপ্ত খাদ্যসংস্থান নেই। ফলে আগে থেকেই সংকটে থাকা পরিবার ও স্থানীয় সম্প্রদায়ের ওপর নতুন চাপ তৈরি হয়েছে।

মানবিক সহায়তার অর্থায়ন কমে যাওয়াও বড় সমস্যা। আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো আগের তুলনায় কম সহায়তা দিতে পারায় খাদ্য, পুষ্টি ও স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে প্রত্যন্ত অঞ্চলে বসবাসকারী পরিবারগুলো সহায়তা থেকে বঞ্চিত হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে।

৫০ লাখ মানুষ জরুরি ক্ষুধার ঝুঁকিতে

খাদ্যসংকটের সবচেয়ে উদ্বেগজনক দিক হলো, প্রায় ৫০ লাখ মানুষ জরুরি পর্যায়ের ক্ষুধার মুখে পড়তে পারে। এই পর্যায়ে থাকা মানুষেরা সাধারণত খাবারের পরিমাণ ও মান দুটোই কমিয়ে দিতে বাধ্য হন। অনেক পরিবার ঋণ করে খাবার কেনে, সম্পদ বিক্রি করে কিংবা সন্তানদের প্রয়োজনীয় খাবার কমিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করে।

জরুরি পর্যায়ের খাদ্য অনিরাপত্তা দীর্ঘায়িত হলে অপুষ্টি, রোগব্যাধি এবং মৃত্যুর ঝুঁকি বাড়ে। বিশেষ করে শিশু, গর্ভবতী নারী, স্তন্যদানকারী মা এবং বয়স্ক ব্যক্তিরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হন। পর্যাপ্ত পুষ্টি না পেলে শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশ বাধাগ্রস্ত হতে পারে। রোগ প্রতিরোধক্ষমতা কমে যাওয়ায় সাধারণ সংক্রমণও প্রাণঘাতী হয়ে উঠতে পারে।

আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় এবার তীব্র খাদ্যসংকটে পড়তে পারে এমন মানুষের সংখ্যা বেড়েছে। গত বছরের একই মৌসুমে এই সংখ্যা ছিল প্রায় ১ কোটি ৭৪ লাখ। এবার তা বেড়ে ১ কোটি ৯২ লাখে পৌঁছাতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটেছে।

কৃষি উৎপাদন ভালো হলেও কেন স্বস্তি নেই

২০২৬ সালে অনুকূল বৃষ্টিপাতের কারণে আফগানিস্তানের কিছু অঞ্চলে কৃষি উৎপাদন ও পশুচারণের পরিস্থিতি তুলনামূলক ভালো ছিল। সাধারণভাবে ভালো ফসল খাদ্যসংকট কমাতে সহায়ক হওয়ার কথা। কিন্তু উৎপাদন ভালো হলেই মানুষের খাদ্যপ্রাপ্তি নিশ্চিত হয় না।

দেশটির বহু পরিবার কৃষিকাজের সঙ্গে যুক্ত থাকলেও তাদের হাতে পর্যাপ্ত জমি, সেচব্যবস্থা কিংবা বাজারে পণ্য বিক্রির সুযোগ নেই। আবার অনেক পরিবার খাদ্য উৎপাদন না করে দৈনিক মজুরি বা ছোটখাটো কাজের ওপর নির্ভর করে। তাদের আয় না বাড়লে বাজারে খাবার থাকলেও কেনার সামর্থ্য তৈরি হয় না।

পরিবহন ব্যয় বেশি হওয়ায় প্রত্যন্ত অঞ্চলে খাদ্য পৌঁছানোও কঠিন। পাহাড়ি ও দুর্গম এলাকায় শীতের সময় সড়ক যোগাযোগ ব্যাহত হলে বাজারে পণ্যের সরবরাহ কমে যেতে পারে। এতে খাদ্যের দাম আরও বাড়ার আশঙ্কা থাকে।

শিশুদের অপুষ্টি নিয়ে বাড়তি উদ্বেগ

আফগানিস্তানে খাদ্যসংকটের পাশাপাশি শিশুদের অপুষ্টি পরিস্থিতিও উদ্বেগজনক। আগামী ২০২৭ সালে প্রায় ৪০ লাখ নারী ও শিশুর তীব্র অপুষ্টির চিকিৎসা প্রয়োজন হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এর মধ্যে প্রায় ১০ লাখ শিশুর ক্ষেত্রে গুরুতর অপুষ্টির ঝুঁকি রয়েছে।

অপুষ্টির প্রভাব শুধু শরীরের ওজন কমে যাওয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। দীর্ঘদিন পর্যাপ্ত পুষ্টি না পেলে শিশুদের বৃদ্ধি, মস্তিষ্কের বিকাশ এবং রোগ প্রতিরোধক্ষমতা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বিশেষ করে জীবনের প্রথম কয়েক বছরে অপুষ্টি দেখা দিলে তার দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব থেকে যেতে পারে।

এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় খাদ্য বিতরণের পাশাপাশি পুষ্টিকর খাবার, চিকিৎসা, বিশুদ্ধ পানি এবং স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা জরুরি। শুধু খাদ্যশস্য সরবরাহ করলেই সব সমস্যার সমাধান হবে না; শিশু ও মায়েদের জন্য বিশেষ পুষ্টি কর্মসূচিও প্রয়োজন।

সহায়তা কমলে বিপর্যয় আরও গভীর হতে পারে

আফগানিস্তানে খাদ্য ও পুষ্টি কার্যক্রম চালিয়ে যেতে আন্তর্জাতিক সহায়তার প্রয়োজন। বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির জরুরি কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে ২০২৭ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত প্রায় ৫৪ কোটি ডলার প্রয়োজন বলে জানানো হয়েছে। কিন্তু অর্থের ঘাটতি থাকলে সবচেয়ে ঝুঁকিতে থাকা মানুষদের কাছে সহায়তা পৌঁছানো কঠিন হবে।

মানবিক সহায়তা কমে গেলে সংস্থাগুলোকে অনেক সময় খাদ্য বিতরণের পরিমাণ কমাতে কিংবা সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীকে অগ্রাধিকার দিতে হয়। এতে অন্য দরিদ্র পরিবারগুলো সহায়তার বাইরে থেকে যায়। ফলে খাদ্যসংকট ধীরে ধীরে আরও বিস্তৃত হতে পারে।

আফগানিস্তানের বর্তমান পরিস্থিতি দেখিয়ে দিচ্ছে, শুধু কৃষি উৎপাদন বাড়িয়ে খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। মানুষের আয়, কর্মসংস্থান, বাজারে খাদ্যের দাম, পরিবহনব্যবস্থা এবং মানবিক সহায়তা—সবকিছু একসঙ্গে বিবেচনা করতে হবে।

আগামী এপ্রিল পর্যন্ত সময়টি দেশটির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শীতকালীন খাদ্যসংকট মোকাবিলায় দ্রুত সহায়তা পৌঁছানো না গেলে লাখ লাখ মানুষ আরও গভীর ক্ষুধা ও অপুষ্টির ঝুঁকিতে পড়বে। বিশেষ করে শিশু ও নারীদের সুরক্ষায় এখনই কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। অন্যথায় আফগানিস্তানের দীর্ঘস্থায়ী মানবিক সংকট নতুন করে ভয়াবহ বিপর্যয়ে রূপ নিতে পারে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের অন্যান্য

দিল্লির রামলীলা ময়দানে বিরোধীদের শক্তি প্রদর্শন, মোদি সরকারের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ ‘ইন্ডিয়া’ জোট

ভারতের রাজধানী দিল্লির রামলীলা ময়দানে বড় সমাবেশ করে ক্ষমতাসীন নরেন্দ্র মোদি সরকারের বিরুদ্ধে নতুন করে রাজনৈতিক চাপ তৈরি করেছে বিরোধী দলগুলোর জোট ‘ইন্ডিয়া’। ভোটার...

প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে প্রতীকী ‘ইমপিচমেন্ট’ বিরোধীদের, ছয় অভিযোগে উত্তাল ভারতের রাজনীতি

ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে ঘিরে নজিরবিহীন রাজনৈতিক কর্মসূচি পালন করেছে বিরোধী দলগুলোর জোট ‘ইন্ডিয়া’। ভোটার তালিকা সংশোধন ও নির্বাচনী অনিয়মের অভিযোগ তুলে...

আরও পড়ুন

ভেনেজুয়েলায় ২০২৭ সালের নির্বাচন ঘিরে নতুন তৎপরতা, ভোটার তালিকা থেকে শুরু করে ক্ষমতার সমীকরণে চলছে নানা প্রস্তুতি

ভেনেজুয়েলার রাজনীতিতে দীর্ঘ অনিশ্চয়তার মধ্যে ২০২৭ সালের সম্ভাব্য নির্বাচনকে সামনে রেখে নতুন করে সক্রিয় হচ্ছে বিরোধী শিবির। নির্বাসন ও রাজনৈতিক চাপের মুখে থাকা বিরোধী...

ব্রাজিলের রাজনীতিতে লুলার ঐতিহাসিক প্রত্যাবর্তন, লাতিন আমেরিকার ডানপন্থী উত্থানে নতুন ধাক্কা

ব্রাজিলের রাজনীতিতে আবারও ইতিহাস গড়লেন লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভা। প্রথম দফার ভোটে পিছিয়ে পড়ার পর নাটকীয় প্রত্যাবর্তন ঘটিয়ে চতুর্থবারের মতো প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন...

মেক্সিকোর নির্বাচন কমিশনে দুর্নীতির অভিযোগ, প্রধানের পদত্যাগে ২০২৭ সালের ভোট ঘিরে বাড়ল উদ্বেগ

মেক্সিকোর নির্বাচনব্যবস্থার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান জাতীয় নির্বাচন ইনস্টিটিউট—আইএনই—এখন বড় ধরনের আস্থার সংকটে পড়েছে। প্রতিষ্ঠানটির প্রধান গুয়াদালুপে তাদেই দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগের মধ্যে পদত্যাগের ঘোষণা...

নিকারাগুয়ার সংবিধানে ক্ষমতার নতুন বন্দোবস্ত, বিরোধীদের নির্বাচনের বাইরে রাখার উদ্যোগে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাড়ছে দূরত্ব

নিকারাগুয়ার রাজনীতিতে সংবিধান সংশোধনের নতুন উদ্যোগ দেশটির ক্ষমতার কাঠামো, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্ক নিয়ে বড় ধরনের বিতর্ক তৈরি করেছে। প্রেসিডেন্ট ড্যানিয়েল ওর্তেগা ও...

হরমুজ প্রণালিতে মাইনের আঘাত, আগুনে জ্বলছে তেলবাহী জাহাজ, নতুন করে জ্বালানি আতঙ্ক

বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহনপথ হরমুজ প্রণালি আবারও ভয়াবহ সংঘাতের কেন্দ্রে। কৌশলগত এই জলপথ দিয়ে চলাচলের সময় একের পর এক তেলবাহী জাহাজ বিস্ফোরণ ও...

ইসরায়েলে নির্বাচনের পর এখনো অধরা সরকার গঠনের সমীকরণ, চলছে দফায় দফায় আলোচনা

ইসরায়েলের রাজনীতিতে নতুন অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে জাতীয় নির্বাচনের ফলাফল ঘিরে। প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর লিকুদ পার্টি সবচেয়ে বড় দল হিসেবে উঠে এলেও সরকার গঠনের জন্য...

ইয়েমেনের এডেন বিমানবন্দর ও প্রেসিডেন্ট প্রাসাদে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার অভিযোগ, নতুন করে উত্তপ্ত পরিস্থিতি

মধ্যপ্রাচ্যের বিস্তৃত সংঘাতের নতুন রণক্ষেত্রে পরিণত হচ্ছে ইয়েমেন। দেশটির দক্ষিণাঞ্চলীয় গুরুত্বপূর্ণ শহর এডেনের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং প্রেসিডেন্ট প্রাসাদ লক্ষ্য করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার অভিযোগ...

ইরানে আবারও হামলার প্রস্তুতি যুক্তরাষ্ট্রের? মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের মেঘ, সতর্ক অবস্থানে উপসাগরীয় দেশগুলো

ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাত আবারও বড় ধরনের যুদ্ধে রূপ নিতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নতুন করে সামরিক হামলার নির্দেশ দেবেন কি না, তা...

এনভিডিয়া প্রধানকে ঘিরে চীনা গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ, তদন্তে ‘খুব কাছ থেকে’ নজর রাখছেন ট্রাম্প

বিশ্বের অন্যতম প্রভাবশালী প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান এনভিডিয়ার প্রধান নির্বাহী জেনসেন হুয়াংকে ঘিরে চীনা গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ সামনে আসার পর বিষয়টি গভীরভাবে খতিয়ে দেখার কথা জানিয়েছেন মার্কিন...

বিতর্কিত জলসীমায় চীনের যুদ্ধপ্রস্তুতি টহল, দক্ষিণ চীন সাগরে নতুন করে বাড়ছে উত্তেজনা

দক্ষিণ চীন সাগরের বিতর্কিত স্কারবোরো শোল এলাকায় নৌ ও বিমানবাহিনী নিয়ে যুদ্ধপ্রস্তুতি টহল চালিয়েছে চীন। বেইজিংয়ের দাবি, ফিলিপাইনের উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড এবং চীনের সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘনের...

উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক অস্ত্র পুরোপুরি নির্মূলের অঙ্গীকার যুক্তরাষ্ট্র-জাপান-দক্ষিণ কোরিয়ার

উত্তর কোরিয়ার ক্রমবর্ধমান পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা নিয়ে উদ্বেগের মধ্যে দেশটির সম্পূর্ণ পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে যুক্তরাষ্ট্র, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়া। তিন দেশের...

এক রাতেই লুট ৬৩০ কোটি ডলারের ক্রিপ্টো! বিশ্বের বৃহত্তম ডিজিটাল চুরিতে সন্দেহ উত্তর কোরিয়ার হ্যাকারদের

বিশ্বের সবচেয়ে বড় ক্রিপ্টোকারেন্সি লেনদেনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর একটি বিন্যান্সে ভয়াবহ সাইবার হামলায় প্রায় ৬৩০ কোটি ডলারের ডিজিটাল সম্পদ চুরির ঘটনা ঘটেছে। মাত্র ২০ মিনিটের মধ্যে...

আরও পড়ুন

যুক্তরাষ্ট্রে পা রেখেই নিজেকে ব্রাজিলের ‘প্রকৃত প্রেসিডেন্ট’ দাবি ফ্লাভিও বলসোনারোর! বললেন, আমি পালাইনি

ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে পরাজয়ের পর যুক্তরাষ্ট্রের মিয়ামিতে পৌঁছে নিজেকেই দেশের প্রকৃত নেতা ঘোষণা করেছেন ডানপন্থী রাজনীতিক ফ্লাভিও বলসোনারো। নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ তুলে তিনি দাবি...

স্পেনে দ্রুতগতির দুই ট্রেনের মুখোমুখি ভয়াবহ সংঘর্ষ, নিহত অন্তত ৬৪—বাড়ছে আরও প্রাণহানির শঙ্কা

স্পেনে আবারও ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনায় প্রাণহানির ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বুধবার (২৮ অক্টোবর) দেশটির মধ্যাঞ্চলের তোলেদো প্রদেশে একটি দ্রুতগতির ট্রেন দাঁড়িয়ে থাকা আরেকটি...

ইসরায়েলের নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারাল নেতানিয়াহুর জোট, সরকার গঠনে বড় বাধা

ইসরায়েলের জাতীয় নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন জোট সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে। ভোট গণনা এগিয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে স্পষ্ট হচ্ছে, ১২০ আসনের পার্লামেন্টে সরকার...

হারের পরই ব্রাজিল ছেড়ে পালালেন ফ্লাভিও বলসোনারো! গেছেন যুক্তরাষ্ট্রে, নিশ্চিত করল মার্কিন প্রশাসন 

ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভার কাছে পরাজয়ের পর দেশ ছেড়ে যুক্তরাষ্ট্রের পথে পাড়ি জমিয়েছেন ডানপন্থী নেতা ফ্লাভিও বলসোনারো। আদালতের নির্দেশে পাসপোর্ট...

ইউক্রেন যুদ্ধ থামাতে পুতিনকে একসাথে ফোন ফিনল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট ও নরওয়ের প্রধানমন্ত্রীর! কি আলোচনা হল?

ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে কূটনৈতিক উদ্যোগ জোরদার করতে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে সরাসরি ফোনে কথা বলেছেন ফিনল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার স্টাব এবং নরওয়ের প্রধানমন্ত্রী ইয়োনাস...

পাঁচ বছর পর মায়ের কণ্ঠ শুনলেন অং সান সু চির ছেলে, আবেগঘন ফোনালাপের পরও কাটেনি উদ্বেগ

পাঁচ বছরেরও বেশি সময় ধরে মায়ের সঙ্গে সরাসরি কথা বলতে পারেননি কিম আরিস। দূরদেশে বসে মিয়ানমারের সাবেক নেত্রী অং সান সু চির খবর জানার...

ইতিহাস লুলার! নির্বাচন জিতলেন হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে, চতুর্থবারের মতো হচ্ছেন ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট

ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের দ্বিতীয় দফায় জয় পেয়েছেন বামপন্থী নেতা লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভা। রক্ষণশীল প্রার্থী ফ্লাভিও বলসোনারোকে হারিয়ে আবারও দেশটির নেতৃত্বে থাকার ম্যান্ডেট...

টেলিভিশনে তো কত লোককেই দেখেছেন! কিন্তু জানেন কি, সবার প্রথম কাকে দেখা গিয়েছিল পর্দায়?

আজকের রঙিন, ঝকঝকে ও উচ্চপ্রযুক্তির টেলিভিশনের যাত্রা শুরু হয়েছিল এক শতাব্দী আগে, অত্যন্ত সাধারণ একটি যন্ত্রের মাধ্যমে। তখন টেলিভিশনের ছবি ছিল অস্পষ্ট, সাদা-কালো এবং...