‘আমি হব মি. ভেটো!’ ডেমোক্র্যাটদের হাতে কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ গেলে কী করবেন, জানিয়ে দিলেন ট্রাম্প

সংবাদটি শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি করেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আগামী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটরা কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ নিতে সক্ষম হলে কীভাবে পরিস্থিতি সামাল দেবেন, সে বিষয়ে নিজের পরিকল্পনার কথা প্রকাশ করেছেন তিনি। ট্রাম্পের ঘোষণা, বিরোধী দল কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ নিলে তিনি হয়ে উঠবেন ‘মি. ভেটো’। অর্থাৎ ডেমোক্র্যাটদের পাঠানো আইনপ্রস্তাব একের পর এক আটকে দেবেন তিনি।

ট্রাম্পের এই বক্তব্য এমন এক সময়ে সামনে এসেছে, যখন ৩ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচন ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক পরিস্থিতি বেশ উত্তপ্ত। প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেটের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দুই দলের মধ্যে চলছে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা। বিশেষ করে প্রতিনিধি পরিষদে রিপাবলিকানদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারানোর সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা বাড়ছে।

সম্প্রতি নিউইয়র্ক পোস্টের সাংবাদিক মিরান্ডা ডিভাইনের পডকাস্টে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্পকে প্রশ্ন করা হয়, ডেমোক্র্যাটরা কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ পেলে তিনি কীভাবে কাজ করবেন। জবাবে তিনি বলেন, তাঁর হয়তো ‘মি. ভেটো’ হয়ে ওঠা ছাড়া আর কোনো উপায় থাকবে না।

ডেমোক্র্যাটদের প্রস্তাবে একের পর এক ভেটো

সাক্ষাৎকারে ট্রাম্পের বক্তব্য ছিল বেশ স্পষ্ট। ডেমোক্র্যাটরা যদি কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ নেয়, তাহলে তাদের পাঠানো আইনপ্রস্তাবগুলোতে তিনি ভেটো প্রয়োগ করবেন।

তাঁর ব্যাখ্যা অনুযায়ী, বিরোধী দলের সদস্যরা বিভিন্ন বিল পাস করে প্রেসিডেন্টের কাছে পাঠাবেন। তিনি সেগুলোতে ভেটো দেবেন। এভাবে এক বা দুই মাস ধরে প্রস্তাব আটকে থাকলে ডেমোক্র্যাটরা শেষ পর্যন্ত আলোচনায় বসতে বাধ্য হবে বলে মনে করেন তিনি।

ট্রাম্পের ধারণা, একপর্যায়ে বিরোধী দল বুঝতে পারবে যে এভাবে সময় নষ্ট করে লাভ নেই। তখন তারা সমঝোতার জন্য হোয়াইট হাউসের সঙ্গে আলোচনা শুরু করবে।

তিনি বলেন, শেষ পর্যন্ত দুই পক্ষের মধ্যে চুক্তি হতে পারে। অতীতেও এমন পরিস্থিতিতে রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাটদের মধ্যে সমঝোতা হয়েছে।

তবে ট্রাম্প একই সঙ্গে জানিয়েছেন, তিনি চান না এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হোক। রিপাবলিকানরা কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে পারলে তাঁকে এ ধরনের পদক্ষেপ নিতে হবে না।

মধ্যবর্তী নির্বাচন কেন এত গুরুত্বপূর্ণ?

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে ৩ নভেম্বর। এই নির্বাচনে প্রতিনিধি পরিষদের সব ৪৩৫টি আসন এবং সিনেটের ১০০টি আসনের মধ্যে ৩৫টির জন্য ভোট হবে।

বর্তমানে প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেট উভয় কক্ষেই রিপাবলিকানদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা রয়েছে। ফলে আইন প্রণয়ন, বাজেট অনুমোদন এবং প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ নিয়োগসংক্রান্ত সিদ্ধান্তে ট্রাম্প প্রশাসন নিজ দলের সমর্থন পাচ্ছে।

কিন্তু নির্বাচনের পর এই পরিস্থিতি বদলে যেতে পারে। ডেমোক্র্যাটরা প্রতিনিধি পরিষদ অথবা সিনেটের যেকোনো একটির নিয়ন্ত্রণ পেলেই হোয়াইট হাউসের সঙ্গে তাদের রাজনৈতিক সংঘাতের নতুন অধ্যায় শুরু হতে পারে।

বিশেষ করে প্রতিনিধি পরিষদের নিয়ন্ত্রণ হারালে রিপাবলিকানদের জন্য প্রশাসনের নীতিগত পরিকল্পনা বাস্তবায়ন কঠিন হয়ে উঠবে। বাজেট, সরকারি ব্যয় এবং বিভিন্ন আইনপ্রস্তাব নিয়ে বিরোধ বাড়তে পারে।

অন্যদিকে, ডেমোক্র্যাটরা সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলে ট্রাম্প প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড নিয়ে তদন্ত ও শুনানির সুযোগও পাবে। প্রশাসনের কর্মকর্তাদের কংগ্রেসে হাজির হতে হতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ নথি ও যোগাযোগের তথ্য চাওয়ার ক্ষমতাও তাদের হাতে থাকবে।

ভেটো ক্ষমতা কতটা কার্যকর?

যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান অনুযায়ী, প্রেসিডেন্ট কংগ্রেসে পাস হওয়া কোনো বিলের বিরুদ্ধে ভেটো দিতে পারেন। এর মাধ্যমে তিনি বিলটিকে আইনে পরিণত হওয়া থেকে আটকে দিতে পারেন।

তবে প্রেসিডেন্টের ভেটোই কোনো বিলের চূড়ান্ত পরিণতি নির্ধারণ করে না। প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেটের উভয় কক্ষে দুই-তৃতীয়াংশ সদস্য সমর্থন দিলে কংগ্রেস প্রেসিডেন্টের ভেটো অতিক্রম করতে পারে।

অর্থাৎ ডেমোক্র্যাটরা শুধু সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলেই ট্রাম্পের ভেটো বাতিল করতে পারবে না। এর জন্য উভয় কক্ষেই প্রয়োজন হবে আরও বড় ধরনের সমর্থন।

এ কারণেই কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ হারালেও ভেটো ক্ষমতাকে নিজের হাতে গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক অস্ত্র হিসেবে দেখছেন ট্রাম্প।

তবে ঘন ঘন ভেটো প্রয়োগ করলে আইন প্রণয়নের প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হতে পারে। বাজেট, সরকারি কর্মসূচি ও বিভিন্ন নীতিগত উদ্যোগ নিয়ে অচলাবস্থা তৈরি হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে।

ট্রাম্পের ভেটো ব্যবহারের অতীত রেকর্ড

প্রেসিডেন্ট হিসেবে ট্রাম্পের ভেটো প্রয়োগের অভিজ্ঞতা রয়েছে। তাঁর প্রথম মেয়াদে তিনি মোট ১০টি বিলে ভেটো দিয়েছিলেন। দ্বিতীয় মেয়াদে এখন পর্যন্ত দুটি বিলে ভেটো প্রয়োগ করেছেন।

তবে ডেমোক্র্যাটদের নিয়ন্ত্রণাধীন কংগ্রেসের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি সংঘাত তৈরি হলে এবার ভেটোর ব্যবহার আরও বাড়তে পারে বলে তাঁর বক্তব্য থেকে ধারণা পাওয়া যাচ্ছে।

এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বিরোধী দলের নিয়ন্ত্রণাধীন কংগ্রেসের সংঘাত হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে আইন পাস, সরকারি অর্থায়ন এবং প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা ও দর-কষাকষি করতে হয়েছে।

ট্রাম্পও সেই অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে জানিয়েছেন, শেষ পর্যন্ত দুই পক্ষকে সমঝোতায় আসতে হতে পারে।

হোয়াইট হাউসের সামনে আরও বড় চ্যালেঞ্জ

কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ ডেমোক্র্যাটদের হাতে গেলে ট্রাম্প প্রশাসনের সামনে শুধু ভেটো প্রয়োগের প্রশ্নই থাকবে না। প্রশাসনিক নীতি বাস্তবায়ন, সরকারি ব্যয় এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগ নিয়েও জটিলতা তৈরি হতে পারে।

কংগ্রেসের তদন্ত কার্যক্রমের মুখোমুখি হতে হবে হোয়াইট হাউসের কর্মকর্তাদের। বিভিন্ন নীতির পক্ষে প্রশাসনকে আরও বেশি ব্যাখ্যা দিতে হতে পারে।

এদিকে, ট্রাম্পের প্রশাসন কংগ্রেসে বিরোধী দলের সংখ্যাগরিষ্ঠতা তৈরি হলে নির্বাহী ক্ষমতা ব্যবহার করে কীভাবে নীতিগত কাজ চালিয়ে যাওয়া যায়, তা নিয়েও প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। শুল্ক, অভিবাসন, আবাসন ও সরকারি ব্যয়ের মতো ক্ষেত্রগুলোতে প্রেসিডেন্টের নির্বাহী ক্ষমতা ব্যবহারের বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে।

অবশ্য নির্বাহী আদেশ বা প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রেও আইনি সীমাবদ্ধতা রয়েছে। আদালতে এসব সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করা হলে সেগুলোর বৈধতা নিয়ে বিচারিক পর্যালোচনা হতে পারে।

তৃতীয় মেয়াদ নিয়েও মন্তব্য

সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প আবারও প্রেসিডেন্ট হিসেবে তৃতীয় মেয়াদে দায়িত্ব পালনের ইচ্ছার কথা উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেছেন, সুযোগ থাকলে আবারও নির্বাচনে অংশ নিতে চাইতেন। তবে যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের ২২তম সংশোধনী অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি দুইবারের বেশি প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হতে পারেন না।

এদিকে, নির্বাচনের ফলাফল কী হবে, তা এখনো নিশ্চিত নয়। প্রতিনিধি পরিষদে ডেমোক্র্যাটদের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা থাকলেও সিনেটের চিত্র তুলনামূলকভাবে অনিশ্চিত।

সব মিলিয়ে, ৩ নভেম্বরের নির্বাচন ট্রাম্প প্রশাসনের বাকি মেয়াদের রাজনৈতিক গতিপথ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। রিপাবলিকানরা নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে পারবে, নাকি ডেমোক্র্যাটরা কংগ্রেসে শক্ত অবস্থান তৈরি করবে, তার ওপর নির্ভর করবে আগামী দিনের আইন প্রণয়ন ও প্রশাসনিক কার্যক্রম। তবে নির্বাচনের ফল যাই হোক, ‘মি. ভেটো’ হওয়ার ট্রাম্পের ঘোষণা ওয়াশিংটনের রাজনৈতিক সংঘাতের সম্ভাবনাকে আরও সামনে নিয়ে এসেছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের অন্যান্য

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যযুদ্ধে বরফ গলছে? চুক্তির আলোচনায় অগ্রগতির ঘোষণা কার্নির, আশাবাদী ট্রাম্পও

কয়েক মাসের পাল্টাপাল্টি শুল্ক, রাজনৈতিক টানাপোড়েন এবং বাণিজ্যিক বিরোধের পর অবশেষে নতুন করে সমঝোতার পথে হাঁটছে যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা। দুই দেশের সম্পর্কের দীর্ঘদিনের অস্থিরতা...

আকাশ থেকে মিসাইলের মতো আছড়ে পড়ল প্রাইভেট বিমান, যুক্তরাষ্ট্রে ভয়াবহ বিস্ফোরণে নিহত ৯

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় জনবসতিপূর্ণ এলাকায় আকাশ থেকে মিসাইলের মতো আছড়ে পড়েছে একটি প্রাইভেট বিমান। মাটিতে আঘাত করার সঙ্গে সঙ্গেই ভয়াবহ বিস্ফোরণ ও আগুনের গোলা তৈরি...

আরও পড়ুন

ভেনেজুয়েলায় ২০২৭ সালের নির্বাচন ঘিরে নতুন তৎপরতা, ভোটার তালিকা থেকে শুরু করে ক্ষমতার সমীকরণে চলছে নানা প্রস্তুতি

ভেনেজুয়েলার রাজনীতিতে দীর্ঘ অনিশ্চয়তার মধ্যে ২০২৭ সালের সম্ভাব্য নির্বাচনকে সামনে রেখে নতুন করে সক্রিয় হচ্ছে বিরোধী শিবির। নির্বাসন ও রাজনৈতিক চাপের মুখে থাকা বিরোধী...

ব্রাজিলের রাজনীতিতে লুলার ঐতিহাসিক প্রত্যাবর্তন, লাতিন আমেরিকার ডানপন্থী উত্থানে নতুন ধাক্কা

ব্রাজিলের রাজনীতিতে আবারও ইতিহাস গড়লেন লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভা। প্রথম দফার ভোটে পিছিয়ে পড়ার পর নাটকীয় প্রত্যাবর্তন ঘটিয়ে চতুর্থবারের মতো প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন...

মেক্সিকোর নির্বাচন কমিশনে দুর্নীতির অভিযোগ, প্রধানের পদত্যাগে ২০২৭ সালের ভোট ঘিরে বাড়ল উদ্বেগ

মেক্সিকোর নির্বাচনব্যবস্থার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান জাতীয় নির্বাচন ইনস্টিটিউট—আইএনই—এখন বড় ধরনের আস্থার সংকটে পড়েছে। প্রতিষ্ঠানটির প্রধান গুয়াদালুপে তাদেই দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগের মধ্যে পদত্যাগের ঘোষণা...

নিকারাগুয়ার সংবিধানে ক্ষমতার নতুন বন্দোবস্ত, বিরোধীদের নির্বাচনের বাইরে রাখার উদ্যোগে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাড়ছে দূরত্ব

নিকারাগুয়ার রাজনীতিতে সংবিধান সংশোধনের নতুন উদ্যোগ দেশটির ক্ষমতার কাঠামো, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্ক নিয়ে বড় ধরনের বিতর্ক তৈরি করেছে। প্রেসিডেন্ট ড্যানিয়েল ওর্তেগা ও...

হরমুজ প্রণালিতে মাইনের আঘাত, আগুনে জ্বলছে তেলবাহী জাহাজ, নতুন করে জ্বালানি আতঙ্ক

বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহনপথ হরমুজ প্রণালি আবারও ভয়াবহ সংঘাতের কেন্দ্রে। কৌশলগত এই জলপথ দিয়ে চলাচলের সময় একের পর এক তেলবাহী জাহাজ বিস্ফোরণ ও...

ইসরায়েলে নির্বাচনের পর এখনো অধরা সরকার গঠনের সমীকরণ, চলছে দফায় দফায় আলোচনা

ইসরায়েলের রাজনীতিতে নতুন অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে জাতীয় নির্বাচনের ফলাফল ঘিরে। প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর লিকুদ পার্টি সবচেয়ে বড় দল হিসেবে উঠে এলেও সরকার গঠনের জন্য...

ইয়েমেনের এডেন বিমানবন্দর ও প্রেসিডেন্ট প্রাসাদে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার অভিযোগ, নতুন করে উত্তপ্ত পরিস্থিতি

মধ্যপ্রাচ্যের বিস্তৃত সংঘাতের নতুন রণক্ষেত্রে পরিণত হচ্ছে ইয়েমেন। দেশটির দক্ষিণাঞ্চলীয় গুরুত্বপূর্ণ শহর এডেনের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং প্রেসিডেন্ট প্রাসাদ লক্ষ্য করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার অভিযোগ...

ইরানে আবারও হামলার প্রস্তুতি যুক্তরাষ্ট্রের? মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের মেঘ, সতর্ক অবস্থানে উপসাগরীয় দেশগুলো

ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাত আবারও বড় ধরনের যুদ্ধে রূপ নিতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নতুন করে সামরিক হামলার নির্দেশ দেবেন কি না, তা...

এনভিডিয়া প্রধানকে ঘিরে চীনা গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ, তদন্তে ‘খুব কাছ থেকে’ নজর রাখছেন ট্রাম্প

বিশ্বের অন্যতম প্রভাবশালী প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান এনভিডিয়ার প্রধান নির্বাহী জেনসেন হুয়াংকে ঘিরে চীনা গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ সামনে আসার পর বিষয়টি গভীরভাবে খতিয়ে দেখার কথা জানিয়েছেন মার্কিন...

বিতর্কিত জলসীমায় চীনের যুদ্ধপ্রস্তুতি টহল, দক্ষিণ চীন সাগরে নতুন করে বাড়ছে উত্তেজনা

দক্ষিণ চীন সাগরের বিতর্কিত স্কারবোরো শোল এলাকায় নৌ ও বিমানবাহিনী নিয়ে যুদ্ধপ্রস্তুতি টহল চালিয়েছে চীন। বেইজিংয়ের দাবি, ফিলিপাইনের উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড এবং চীনের সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘনের...

উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক অস্ত্র পুরোপুরি নির্মূলের অঙ্গীকার যুক্তরাষ্ট্র-জাপান-দক্ষিণ কোরিয়ার

উত্তর কোরিয়ার ক্রমবর্ধমান পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা নিয়ে উদ্বেগের মধ্যে দেশটির সম্পূর্ণ পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে যুক্তরাষ্ট্র, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়া। তিন দেশের...

এক রাতেই লুট ৬৩০ কোটি ডলারের ক্রিপ্টো! বিশ্বের বৃহত্তম ডিজিটাল চুরিতে সন্দেহ উত্তর কোরিয়ার হ্যাকারদের

বিশ্বের সবচেয়ে বড় ক্রিপ্টোকারেন্সি লেনদেনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর একটি বিন্যান্সে ভয়াবহ সাইবার হামলায় প্রায় ৬৩০ কোটি ডলারের ডিজিটাল সম্পদ চুরির ঘটনা ঘটেছে। মাত্র ২০ মিনিটের মধ্যে...

আরও পড়ুন

যুক্তরাষ্ট্রে পা রেখেই নিজেকে ব্রাজিলের ‘প্রকৃত প্রেসিডেন্ট’ দাবি ফ্লাভিও বলসোনারোর! বললেন, আমি পালাইনি

ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে পরাজয়ের পর যুক্তরাষ্ট্রের মিয়ামিতে পৌঁছে নিজেকেই দেশের প্রকৃত নেতা ঘোষণা করেছেন ডানপন্থী রাজনীতিক ফ্লাভিও বলসোনারো। নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ তুলে তিনি দাবি...

স্পেনে দ্রুতগতির দুই ট্রেনের মুখোমুখি ভয়াবহ সংঘর্ষ, নিহত অন্তত ৬৪—বাড়ছে আরও প্রাণহানির শঙ্কা

স্পেনে আবারও ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনায় প্রাণহানির ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বুধবার (২৮ অক্টোবর) দেশটির মধ্যাঞ্চলের তোলেদো প্রদেশে একটি দ্রুতগতির ট্রেন দাঁড়িয়ে থাকা আরেকটি...

ইসরায়েলের নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারাল নেতানিয়াহুর জোট, সরকার গঠনে বড় বাধা

ইসরায়েলের জাতীয় নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন জোট সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে। ভোট গণনা এগিয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে স্পষ্ট হচ্ছে, ১২০ আসনের পার্লামেন্টে সরকার...

হারের পরই ব্রাজিল ছেড়ে পালালেন ফ্লাভিও বলসোনারো! গেছেন যুক্তরাষ্ট্রে, নিশ্চিত করল মার্কিন প্রশাসন 

ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভার কাছে পরাজয়ের পর দেশ ছেড়ে যুক্তরাষ্ট্রের পথে পাড়ি জমিয়েছেন ডানপন্থী নেতা ফ্লাভিও বলসোনারো। আদালতের নির্দেশে পাসপোর্ট...

ইউক্রেন যুদ্ধ থামাতে পুতিনকে একসাথে ফোন ফিনল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট ও নরওয়ের প্রধানমন্ত্রীর! কি আলোচনা হল?

ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে কূটনৈতিক উদ্যোগ জোরদার করতে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে সরাসরি ফোনে কথা বলেছেন ফিনল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার স্টাব এবং নরওয়ের প্রধানমন্ত্রী ইয়োনাস...

পাঁচ বছর পর মায়ের কণ্ঠ শুনলেন অং সান সু চির ছেলে, আবেগঘন ফোনালাপের পরও কাটেনি উদ্বেগ

পাঁচ বছরেরও বেশি সময় ধরে মায়ের সঙ্গে সরাসরি কথা বলতে পারেননি কিম আরিস। দূরদেশে বসে মিয়ানমারের সাবেক নেত্রী অং সান সু চির খবর জানার...

ইতিহাস লুলার! নির্বাচন জিতলেন হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে, চতুর্থবারের মতো হচ্ছেন ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট

ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের দ্বিতীয় দফায় জয় পেয়েছেন বামপন্থী নেতা লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভা। রক্ষণশীল প্রার্থী ফ্লাভিও বলসোনারোকে হারিয়ে আবারও দেশটির নেতৃত্বে থাকার ম্যান্ডেট...

টেলিভিশনে তো কত লোককেই দেখেছেন! কিন্তু জানেন কি, সবার প্রথম কাকে দেখা গিয়েছিল পর্দায়?

আজকের রঙিন, ঝকঝকে ও উচ্চপ্রযুক্তির টেলিভিশনের যাত্রা শুরু হয়েছিল এক শতাব্দী আগে, অত্যন্ত সাধারণ একটি যন্ত্রের মাধ্যমে। তখন টেলিভিশনের ছবি ছিল অস্পষ্ট, সাদা-কালো এবং...