দুই দশকের সামরিক উপস্থিতির অবসান, সোমালিয়া থেকে সেনা প্রত্যাহার শুরু করল উগান্ডা

সংবাদটি শেয়ার করুন

প্রায় দুই দশক ধরে সোমালিয়ার নিরাপত্তা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করার পর দেশটি থেকে সেনা প্রত্যাহার শুরু করেছে উগান্ডা। প্রথম দফার সেনারা ইতিমধ্যে দেশে ফিরেছেন। পর্যায়ক্রমে সব সেনা সরিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে, যার শেষ সময়সীমা ২০২৭ সালের শেষ ভাগ। আল-শাবাবের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সোমালিয়ার অন্যতম প্রধান নিরাপত্তা অংশীদার ছিল উগান্ডা। ফলে এই প্রত্যাহার শুধু একটি সামরিক মিশনের সমাপ্তি নয়; দেশটির নিরাপত্তা ব্যবস্থার দায়িত্ব ধীরে ধীরে নিজেদের হাতে নেওয়ার বড় পরীক্ষাও।

উগান্ডা ২০০৭ সালে আফ্রিকান ইউনিয়নের অধীনে সোমালিয়ায় প্রথম শান্তিরক্ষী বাহিনী পাঠায়। তখন দেশটির রাজধানী মোগাদিশুর বিভিন্ন এলাকায় আল-শাবাবের প্রভাব ছিল শক্তিশালী। সোমালিয়ার অন্তর্বর্তী সরকারকে রক্ষা করা এবং সশস্ত্র গোষ্ঠীটির অগ্রযাত্রা ঠেকানো ছিল মিশনের অন্যতম উদ্দেশ্য। পরবর্তী সময়ে উগান্ডার পাশাপাশি বুরুন্ডি, জিবুতি, কেনিয়া ও ইথিওপিয়ার সেনারাও বিভিন্ন পর্যায়ে এই নিরাপত্তা অভিযানে যুক্ত হয়।

প্রথম দফায় সেনা ফিরেছে, প্রত্যাহার চলবে ধাপে ধাপে

উগান্ডার সেনাবাহিনীর মুখপাত্র ক্রিস মাজেজি জানিয়েছেন, সোমালিয়ার ফেডারেল সরকারের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় নিরাপত্তা চুক্তির আওতায় মোতায়েন থাকা সেনাদের প্রত্যাহার কার্যক্রম অবিলম্বে শুরু হয়েছে। প্রথম দলটি ইতিমধ্যে উগান্ডায় ফিরে গেছে। তবে প্রথম দফায় ঠিক কতজন সেনা ফিরেছেন, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়নি।

উগান্ডার প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রধান মুহুজি কাইনেরুগাবাও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সেনা প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছিলেন। তাঁর বক্তব্যে দুই দশকের সামরিক ত্যাগ ও প্রাণহানির কথা উঠে এসেছে। তিনি বলেছেন, সোমালিয়ার নিরাপত্তার দায়িত্ব এখন দেশটির নিজেদের বাহিনীর হাতে তুলে দেওয়ার সময় এসেছে।

তবে প্রত্যাহার মানে একসঙ্গে সব সেনা সরিয়ে নেওয়া নয়। উগান্ডার সেনারা দুটি পৃথক ব্যবস্থায় সোমালিয়ায় দায়িত্ব পালন করছেন। একদল রয়েছে সোমালিয়ার সরকারের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় চুক্তির আওতায়, অন্যরা আফ্রিকান ইউনিয়নের সমর্থন ও স্থিতিশীলতা মিশন—আউসোমের অংশ। প্রথম পর্যায়ে দ্বিপক্ষীয় চুক্তির আওতাধীন সেনাদের প্রত্যাহার শুরু হয়েছে। এরপর আফ্রিকান ইউনিয়নের মিশনে থাকা সেনারাও পর্যায়ক্রমে ফিরবেন। উগান্ডার পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৭ সালের শেষ নাগাদ সব সেনা প্রত্যাহার সম্পন্ন হওয়ার কথা।

আল-শাবাবের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে উগান্ডার ভূমিকা

সোমালিয়ায় উগান্ডার সামরিক উপস্থিতির মূল কারণ ছিল আল-শাবাবের উত্থান ঠেকানো। আল-কায়েদার সঙ্গে সম্পর্কিত এই সশস্ত্র গোষ্ঠী দীর্ঘদিন ধরে সোমালিয়ার কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ চালিয়ে আসছে। রাজধানীসহ বিভিন্ন এলাকায় বোমা হামলা, আত্মঘাতী আক্রমণ এবং সামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে তারা।

২০০৭ সালে আফ্রিকান ইউনিয়নের প্রথম সেনা পাঠানো দেশ হিসেবে উগান্ডা মিশনের গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি তৈরি করে। উগান্ডার সেনারা মোগাদিশুর গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও সরকারি প্রতিষ্ঠান রক্ষায় দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তী সময়ে আফ্রিকান বাহিনী আল-শাবাবকে রাজধানীর বড় অংশ থেকে সরিয়ে দিতে এবং কেন্দ্রীয় সরকারের নিয়ন্ত্রণ বিস্তারে সহায়তা করে।

তবে এই সাফল্যের মূল্যও দিতে হয়েছে। দীর্ঘ সংঘাতে উগান্ডার বহু সেনা নিহত ও আহত হয়েছেন। একই সঙ্গে সোমালিয়ার সাধারণ মানুষও সশস্ত্র গোষ্ঠীর হামলা, সামরিক অভিযান এবং বাস্তুচ্যুতির শিকার হয়েছেন। আল-শাবাব এখনো পুরোপুরি পরাজিত হয়নি। দেশটির গ্রামাঞ্চল ও কিছু গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চলে তাদের উপস্থিতি রয়েছে।

সোমালিয়ার নিরাপত্তা বাহিনী কি প্রস্তুত?

উগান্ডার সেনা প্রত্যাহারের সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হলো, তাদের জায়গায় সোমালিয়ার নিজস্ব বাহিনী কতটা কার্যকরভাবে দায়িত্ব নিতে পারবে। কয়েক বছর ধরে সোমালিয়ার সেনাবাহিনীকে প্রশিক্ষণ, অস্ত্র ও সাংগঠনিক সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। সরকারের লক্ষ্য, বিদেশি বাহিনীর ওপর নির্ভরতা কমিয়ে নিজস্ব নিরাপত্তা কাঠামো গড়ে তোলা।

কিন্তু নিরাপত্তা বাহিনীর সক্ষমতা নিয়ে উদ্বেগ এখনো রয়েছে। বিভিন্ন অঞ্চলে বাহিনীর সমন্বয়, পর্যাপ্ত অর্থায়ন, রসদ সরবরাহ এবং স্থানীয় পর্যায়ে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহের সীমাবদ্ধতা রয়েছে। আল-শাবাবের বিরুদ্ধে অভিযান চালাতে শুধু সেনাসংখ্যা বাড়ানো যথেষ্ট নয়; প্রশিক্ষণ, নেতৃত্ব, যোগাযোগব্যবস্থা এবং দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়নও জরুরি।

সোমালিয়ার দক্ষিণাঞ্চলের লোয়ার শাবেল অঞ্চলে আফ্রিকান ইউনিয়নের বাহিনীর উপস্থিতি কমে গেলে আল-শাবাব নতুন করে হামলার সুযোগ পেতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে। ওই অঞ্চলে কৌশলগত সড়ক, জনবসতি ও সামরিক অবস্থানের গুরুত্ব রয়েছে। সেনা প্রত্যাহারের গতি এবং স্থানীয় বাহিনীর প্রস্তুতির মধ্যে ভারসাম্য না থাকলে নিরাপত্তার শূন্যতা তৈরি হতে পারে।

আফ্রিকান ইউনিয়নের মিশনের ভবিষ্যৎ

সোমালিয়ায় আফ্রিকান ইউনিয়নের নিরাপত্তা মিশনও পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। ২০২৫ সালের শুরুতে আগের অন্তর্বর্তী মিশনের জায়গায় আউসোম দায়িত্ব নেয়। এর লক্ষ্য সোমালিয়ার নিরাপত্তা বাহিনীকে সহায়তা করা এবং আল-শাবাবের বিরুদ্ধে অভিযান চালানোর সক্ষমতা বজায় রাখা। কিন্তু অর্থায়ন ও সদস্যদেশগুলোর সেনা সরবরাহ নিয়ে চাপ রয়েছে।

উগান্ডা এই মিশনের অন্যতম বড় সেনা সরবরাহকারী দেশ। দেশটির প্রায় সাড়ে চার হাজার সেনা আউসোমের আওতায় সোমালিয়ায় মোতায়েন রয়েছে বলে উগান্ডার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে উল্লেখ করা হয়েছে। এত বড় একটি বাহিনী প্রত্যাহার করা হলে আফ্রিকান ইউনিয়নকে নতুন সেনা ও অর্থায়নের ব্যবস্থা করতে হবে। অন্যথায় সোমালিয়ার নিরাপত্তা অভিযানে প্রভাব পড়তে পারে।

প্রত্যাহার কি আত্মনির্ভরতার সূচনা, নাকি নতুন ঝুঁকি?

সোমালিয়া সরকারের কাছে বিদেশি সেনার ওপর নির্ভরতা কমানো একটি রাজনৈতিক ও রাষ্ট্রীয় অগ্রাধিকার। নিজস্ব বাহিনী নিরাপত্তার দায়িত্ব নিলে রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব ও প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ আরও দৃশ্যমান হবে। কিন্তু সেই পরিবর্তন সফল করতে হলে সেনা প্রত্যাহারের পাশাপাশি প্রশিক্ষণ, অর্থায়ন ও নিরাপত্তা সমন্বয়ের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে হবে।

উগান্ডার সেনা প্রত্যাহার তাই একদিকে সোমালিয়ার আত্মনির্ভরতার পথে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ, অন্যদিকে নিরাপত্তা ব্যবস্থার জন্য বড় পরীক্ষা। আল-শাবাবের তৎপরতা অব্যাহত থাকায় কোনো আকস্মিক শূন্যতা তৈরি হলে দুই দশকের সামরিক অভিযানে অর্জিত অগ্রগতি ঝুঁকিতে পড়তে পারে। ২০২৭ সালের শেষ নাগাদ প্রত্যাহার সম্পন্ন হওয়ার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের সময় এই ভারসাম্যই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের অন্যান্য

যুদ্ধের পোশাকে মন্ত্রীরা, উন্নয়ন ত্বরান্বিত করতে মন্ত্রীসভাকে সামরিক প্রশিক্ষণ দেওয়ালেন ইথিওপিয়ার প্রধানমন্ত্রী

ইথিওপিয়ার প্রধানমন্ত্রী আবি আহমেদ এবার নিজের মন্ত্রিসভার সদস্য ও শীর্ষ সরকারি কর্মকর্তাদের নিয়ে হাজির হয়েছেন সামরিক প্রশিক্ষণকেন্দ্রে। শুধু নীতিনির্ধারণ বা দপ্তর পরিচালনা নয়, দেশের...

সোমালিয়ায় জাতিসংঘের রাজনৈতিক মিশনের অবসান, তিন দশকের সম্পৃক্ততার পর সামনে অনিশ্চিত অধ্যায়

গৃহযুদ্ধের ধ্বংসস্তূপ থেকে রাষ্ট্র পুনর্গঠনের দীর্ঘ যাত্রায় সোমালিয়ার পাশে ছিল জাতিসংঘ। রাজনৈতিক সমঝোতা, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান গঠন, নির্বাচন, মানবাধিকার এবং নিরাপত্তা খাতে তিন দশকের বেশি...

আরও পড়ুন

ভেনেজুয়েলায় ২০২৭ সালের নির্বাচন ঘিরে নতুন তৎপরতা, ভোটার তালিকা থেকে শুরু করে ক্ষমতার সমীকরণে চলছে নানা প্রস্তুতি

ভেনেজুয়েলার রাজনীতিতে দীর্ঘ অনিশ্চয়তার মধ্যে ২০২৭ সালের সম্ভাব্য নির্বাচনকে সামনে রেখে নতুন করে সক্রিয় হচ্ছে বিরোধী শিবির। নির্বাসন ও রাজনৈতিক চাপের মুখে থাকা বিরোধী...

ব্রাজিলের রাজনীতিতে লুলার ঐতিহাসিক প্রত্যাবর্তন, লাতিন আমেরিকার ডানপন্থী উত্থানে নতুন ধাক্কা

ব্রাজিলের রাজনীতিতে আবারও ইতিহাস গড়লেন লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভা। প্রথম দফার ভোটে পিছিয়ে পড়ার পর নাটকীয় প্রত্যাবর্তন ঘটিয়ে চতুর্থবারের মতো প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন...

মেক্সিকোর নির্বাচন কমিশনে দুর্নীতির অভিযোগ, প্রধানের পদত্যাগে ২০২৭ সালের ভোট ঘিরে বাড়ল উদ্বেগ

মেক্সিকোর নির্বাচনব্যবস্থার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান জাতীয় নির্বাচন ইনস্টিটিউট—আইএনই—এখন বড় ধরনের আস্থার সংকটে পড়েছে। প্রতিষ্ঠানটির প্রধান গুয়াদালুপে তাদেই দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগের মধ্যে পদত্যাগের ঘোষণা...

নিকারাগুয়ার সংবিধানে ক্ষমতার নতুন বন্দোবস্ত, বিরোধীদের নির্বাচনের বাইরে রাখার উদ্যোগে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাড়ছে দূরত্ব

নিকারাগুয়ার রাজনীতিতে সংবিধান সংশোধনের নতুন উদ্যোগ দেশটির ক্ষমতার কাঠামো, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্ক নিয়ে বড় ধরনের বিতর্ক তৈরি করেছে। প্রেসিডেন্ট ড্যানিয়েল ওর্তেগা ও...

হরমুজ প্রণালিতে মাইনের আঘাত, আগুনে জ্বলছে তেলবাহী জাহাজ, নতুন করে জ্বালানি আতঙ্ক

বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহনপথ হরমুজ প্রণালি আবারও ভয়াবহ সংঘাতের কেন্দ্রে। কৌশলগত এই জলপথ দিয়ে চলাচলের সময় একের পর এক তেলবাহী জাহাজ বিস্ফোরণ ও...

ইসরায়েলে নির্বাচনের পর এখনো অধরা সরকার গঠনের সমীকরণ, চলছে দফায় দফায় আলোচনা

ইসরায়েলের রাজনীতিতে নতুন অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে জাতীয় নির্বাচনের ফলাফল ঘিরে। প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর লিকুদ পার্টি সবচেয়ে বড় দল হিসেবে উঠে এলেও সরকার গঠনের জন্য...

ইয়েমেনের এডেন বিমানবন্দর ও প্রেসিডেন্ট প্রাসাদে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার অভিযোগ, নতুন করে উত্তপ্ত পরিস্থিতি

মধ্যপ্রাচ্যের বিস্তৃত সংঘাতের নতুন রণক্ষেত্রে পরিণত হচ্ছে ইয়েমেন। দেশটির দক্ষিণাঞ্চলীয় গুরুত্বপূর্ণ শহর এডেনের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং প্রেসিডেন্ট প্রাসাদ লক্ষ্য করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার অভিযোগ...

ইরানে আবারও হামলার প্রস্তুতি যুক্তরাষ্ট্রের? মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের মেঘ, সতর্ক অবস্থানে উপসাগরীয় দেশগুলো

ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাত আবারও বড় ধরনের যুদ্ধে রূপ নিতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নতুন করে সামরিক হামলার নির্দেশ দেবেন কি না, তা...

এনভিডিয়া প্রধানকে ঘিরে চীনা গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ, তদন্তে ‘খুব কাছ থেকে’ নজর রাখছেন ট্রাম্প

বিশ্বের অন্যতম প্রভাবশালী প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান এনভিডিয়ার প্রধান নির্বাহী জেনসেন হুয়াংকে ঘিরে চীনা গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ সামনে আসার পর বিষয়টি গভীরভাবে খতিয়ে দেখার কথা জানিয়েছেন মার্কিন...

বিতর্কিত জলসীমায় চীনের যুদ্ধপ্রস্তুতি টহল, দক্ষিণ চীন সাগরে নতুন করে বাড়ছে উত্তেজনা

দক্ষিণ চীন সাগরের বিতর্কিত স্কারবোরো শোল এলাকায় নৌ ও বিমানবাহিনী নিয়ে যুদ্ধপ্রস্তুতি টহল চালিয়েছে চীন। বেইজিংয়ের দাবি, ফিলিপাইনের উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড এবং চীনের সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘনের...

উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক অস্ত্র পুরোপুরি নির্মূলের অঙ্গীকার যুক্তরাষ্ট্র-জাপান-দক্ষিণ কোরিয়ার

উত্তর কোরিয়ার ক্রমবর্ধমান পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা নিয়ে উদ্বেগের মধ্যে দেশটির সম্পূর্ণ পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে যুক্তরাষ্ট্র, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়া। তিন দেশের...

এক রাতেই লুট ৬৩০ কোটি ডলারের ক্রিপ্টো! বিশ্বের বৃহত্তম ডিজিটাল চুরিতে সন্দেহ উত্তর কোরিয়ার হ্যাকারদের

বিশ্বের সবচেয়ে বড় ক্রিপ্টোকারেন্সি লেনদেনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর একটি বিন্যান্সে ভয়াবহ সাইবার হামলায় প্রায় ৬৩০ কোটি ডলারের ডিজিটাল সম্পদ চুরির ঘটনা ঘটেছে। মাত্র ২০ মিনিটের মধ্যে...

আরও পড়ুন

যুক্তরাষ্ট্রে পা রেখেই নিজেকে ব্রাজিলের ‘প্রকৃত প্রেসিডেন্ট’ দাবি ফ্লাভিও বলসোনারোর! বললেন, আমি পালাইনি

ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে পরাজয়ের পর যুক্তরাষ্ট্রের মিয়ামিতে পৌঁছে নিজেকেই দেশের প্রকৃত নেতা ঘোষণা করেছেন ডানপন্থী রাজনীতিক ফ্লাভিও বলসোনারো। নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ তুলে তিনি দাবি...

স্পেনে দ্রুতগতির দুই ট্রেনের মুখোমুখি ভয়াবহ সংঘর্ষ, নিহত অন্তত ৬৪—বাড়ছে আরও প্রাণহানির শঙ্কা

স্পেনে আবারও ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনায় প্রাণহানির ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বুধবার (২৮ অক্টোবর) দেশটির মধ্যাঞ্চলের তোলেদো প্রদেশে একটি দ্রুতগতির ট্রেন দাঁড়িয়ে থাকা আরেকটি...

ইসরায়েলের নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারাল নেতানিয়াহুর জোট, সরকার গঠনে বড় বাধা

ইসরায়েলের জাতীয় নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন জোট সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে। ভোট গণনা এগিয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে স্পষ্ট হচ্ছে, ১২০ আসনের পার্লামেন্টে সরকার...

হারের পরই ব্রাজিল ছেড়ে পালালেন ফ্লাভিও বলসোনারো! গেছেন যুক্তরাষ্ট্রে, নিশ্চিত করল মার্কিন প্রশাসন 

ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভার কাছে পরাজয়ের পর দেশ ছেড়ে যুক্তরাষ্ট্রের পথে পাড়ি জমিয়েছেন ডানপন্থী নেতা ফ্লাভিও বলসোনারো। আদালতের নির্দেশে পাসপোর্ট...

ইউক্রেন যুদ্ধ থামাতে পুতিনকে একসাথে ফোন ফিনল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট ও নরওয়ের প্রধানমন্ত্রীর! কি আলোচনা হল?

ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে কূটনৈতিক উদ্যোগ জোরদার করতে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে সরাসরি ফোনে কথা বলেছেন ফিনল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার স্টাব এবং নরওয়ের প্রধানমন্ত্রী ইয়োনাস...

পাঁচ বছর পর মায়ের কণ্ঠ শুনলেন অং সান সু চির ছেলে, আবেগঘন ফোনালাপের পরও কাটেনি উদ্বেগ

পাঁচ বছরেরও বেশি সময় ধরে মায়ের সঙ্গে সরাসরি কথা বলতে পারেননি কিম আরিস। দূরদেশে বসে মিয়ানমারের সাবেক নেত্রী অং সান সু চির খবর জানার...

ইতিহাস লুলার! নির্বাচন জিতলেন হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে, চতুর্থবারের মতো হচ্ছেন ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট

ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের দ্বিতীয় দফায় জয় পেয়েছেন বামপন্থী নেতা লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভা। রক্ষণশীল প্রার্থী ফ্লাভিও বলসোনারোকে হারিয়ে আবারও দেশটির নেতৃত্বে থাকার ম্যান্ডেট...

টেলিভিশনে তো কত লোককেই দেখেছেন! কিন্তু জানেন কি, সবার প্রথম কাকে দেখা গিয়েছিল পর্দায়?

আজকের রঙিন, ঝকঝকে ও উচ্চপ্রযুক্তির টেলিভিশনের যাত্রা শুরু হয়েছিল এক শতাব্দী আগে, অত্যন্ত সাধারণ একটি যন্ত্রের মাধ্যমে। তখন টেলিভিশনের ছবি ছিল অস্পষ্ট, সাদা-কালো এবং...